ঢাকা    শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
ঢাকা    শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

এইচএসসির ফল বিপর্যয়: ক্রেতা খরায় হতাশ মিষ্টি দোকানিরা



এইচএসসির ফল বিপর্যয়: ক্রেতা খরায় হতাশ মিষ্টি দোকানিরা

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ মানেই একসময় মিষ্টির দোকানগুলোতে ছিল বাড়তি ব্যস্ততা। ভালো ফলের আনন্দ স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে মিষ্টি কেনার ধুম পড়ে যেত। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হতো দোকানিদের। স্বাভাবিক দিনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি মিষ্টি বিক্রি হতো। সময়ের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরেই বদলে যাচ্ছে সেই চিত্র। তবে এবার এইচএসসি ও সমমানের ফলাফলে বিপর্যয় ঘটায় সেই চিত্রটা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মিষ্টির দোকানগুলোতে কোনো ভিড়ই চোখে পড়েনি। এতে হতাশ মিষ্টি দোকানিরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ভালো ফল করা শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মিষ্টি কিনতে এলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম।

বিজয়নগরের মুসলিম সুইটসের ক্যাশিয়ার রফিকুল ইসলাম বলেন, এবার পাসের হার কম হওয়ায় মিষ্টি বিক্রিতেও এর প্রভাব পড়েছে। ফল প্রকাশ উপলক্ষে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মিষ্টি তৈরি করেছিলেন তারা। কিন্তু সেই অনুপাতে বিক্রি হয়নি।

রাজধানীর মালিবাগের বনফুল সুইটসেও কিছু ক্রেতাকে মিষ্টি কিনতে দেখা গেছে। তবে দোকানটির ব্যবস্থাপক জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিক্রি কম। ফল প্রকাশের পরপরই দোকানগুলোতে যে ধরনের ভিড় দেখা যেত, এবার তা চোখে পড়েনি। শান্তিনগরের ভাগ্যকূল সুইটসের ব্যবস্থাপক সুজন ঘোষ বলেন, আগে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন মিষ্টি বিক্রির চাপ সামলাতে অতিরিক্ত কর্মচারী রাখতে হতো। এখন সেই ব্যস্ততা আর নেই। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন মুসলিম সুইটসের বিক্রয়কর্মী জাকির হোসেন। মিষ্টি কিনতে আসা অভিভাবক হাসান ফেরদাউস জানান, মেয়ের ফল ভালো হয়েছে। তাই পরিবারের সবাই মিলে মিষ্টি কিনতে এসেছেন। তবে এবার অনেকের ফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। সে কারণেও হয়তো মিষ্টি কেনার উৎসাহ আগের তুলনায় কম।

ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক বছর আগেও এসএসসি ও এইচএসসির ফল প্রকাশের দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি মিষ্টি বিক্রি হতো। করোনার পর সেই বিক্রি কমে প্রায় দ্বিগুণে নেমে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফল প্রকাশের দিন মিষ্টি বিক্রির ব্যস্ততা আরও কমেছে। এবার ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে মিষ্টি কেনায় তেমন কোনো সাড়া নেই বললেই চলে। -ডেস্ক রিপোর্ট

আপনার মতামত লিখুন

দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


এইচএসসির ফল বিপর্যয়: ক্রেতা খরায় হতাশ মিষ্টি দোকানিরা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ মানেই একসময় মিষ্টির দোকানগুলোতে ছিল বাড়তি ব্যস্ততা। ভালো ফলের আনন্দ স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে মিষ্টি কেনার ধুম পড়ে যেত। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হতো দোকানিদের। স্বাভাবিক দিনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি মিষ্টি বিক্রি হতো। সময়ের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরেই বদলে যাচ্ছে সেই চিত্র। তবে এবার এইচএসসি ও সমমানের ফলাফলে বিপর্যয় ঘটায় সেই চিত্রটা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মিষ্টির দোকানগুলোতে কোনো ভিড়ই চোখে পড়েনি। এতে হতাশ মিষ্টি দোকানিরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ভালো ফল করা শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মিষ্টি কিনতে এলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম।

বিজয়নগরের মুসলিম সুইটসের ক্যাশিয়ার রফিকুল ইসলাম বলেন, এবার পাসের হার কম হওয়ায় মিষ্টি বিক্রিতেও এর প্রভাব পড়েছে। ফল প্রকাশ উপলক্ষে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মিষ্টি তৈরি করেছিলেন তারা। কিন্তু সেই অনুপাতে বিক্রি হয়নি।

রাজধানীর মালিবাগের বনফুল সুইটসেও কিছু ক্রেতাকে মিষ্টি কিনতে দেখা গেছে। তবে দোকানটির ব্যবস্থাপক জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিক্রি কম। ফল প্রকাশের পরপরই দোকানগুলোতে যে ধরনের ভিড় দেখা যেত, এবার তা চোখে পড়েনি। শান্তিনগরের ভাগ্যকূল সুইটসের ব্যবস্থাপক সুজন ঘোষ বলেন, আগে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন মিষ্টি বিক্রির চাপ সামলাতে অতিরিক্ত কর্মচারী রাখতে হতো। এখন সেই ব্যস্ততা আর নেই। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন মুসলিম সুইটসের বিক্রয়কর্মী জাকির হোসেন। মিষ্টি কিনতে আসা অভিভাবক হাসান ফেরদাউস জানান, মেয়ের ফল ভালো হয়েছে। তাই পরিবারের সবাই মিলে মিষ্টি কিনতে এসেছেন। তবে এবার অনেকের ফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। সে কারণেও হয়তো মিষ্টি কেনার উৎসাহ আগের তুলনায় কম।

ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক বছর আগেও এসএসসি ও এইচএসসির ফল প্রকাশের দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি মিষ্টি বিক্রি হতো। করোনার পর সেই বিক্রি কমে প্রায় দ্বিগুণে নেমে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফল প্রকাশের দিন মিষ্টি বিক্রির ব্যস্ততা আরও কমেছে। এবার ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে মিষ্টি কেনায় তেমন কোনো সাড়া নেই বললেই চলে। -ডেস্ক রিপোর্ট


দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: শাহ্ আলম নূর আকাশ (8801715412204)
বার্তা সম্পাদক: মো: নুরুল হুদা দুলাল (8801715803963)
হেড অব নিউজ: আব্দুস সালাম (8801721460008) 
আইন উপদেষ্টা: অ্যাড. সারওয়ার আহমেদ বাবু (8801318071980)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডট কম