ঢাকা    শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ঢাকা    শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

আর্কাইভ দেখুন

হামে মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

হামে মৃত্যুর ঘটনায় ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

হামে শত শত মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জসিতা ইসলামের আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান ইকবাল। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ। মামলায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা হলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. সাইদুর রহমান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা উচ্চশিক্ষিত ও নোবেল বিজয়ী হলেও তার দায়িত্বে চরম অবহেলা ও উদ্দেশ্যমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এ দেশের শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার শিশুর জীবন বিপন্ন হয়েছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনা হত্যাকাণ্ডের শামিল।মামলার অন্যান্য আসামিরা তৎকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্বে অবহেলা করে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামের ভ্যাকসিন যথাসময়ে আমদানি না করে শাস্তিযোগ্য ও অমানবিক অপরাধ করেছেন। এতে রাষ্ট্রের নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা এবং তাদের মৌলিক অধিকার হরণের মতো ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই শিশুদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারিভাবে টিকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে হাম-রুবেলা টিকা অন্যতম। দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত এই টিকা প্রদানের ফলে বিশ্বব্যাপী হাম ও রুবেলায় মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলাসহ বিভিন্ন টিকা আমদানি করে আসছিল। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলা টিকা আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় টিকা সংকট তৈরি হয়। আবেদনে বলা হয়, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স ২০ মে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে জানান, হাম-রুবেলা টিকার সম্ভাব্য সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। এছাড়া টিকা আমদানির বিদ্যমান ব্যবস্থা বন্ধ না করার অনুরোধও জানানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিক বৈঠকেও সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টরা তা আমলে নেননি বলে অভিযোগ করা হয়।এর ফলে দেশে বিপুল-সংখ্যক শিশু নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলা টিকা থেকে বঞ্চিত হয় এবং হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫ হাজার ৭০৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। সরকারি হিসাবে এ সময় প্রায় ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।


৪৮ ঘণ্টা পর ঠাকুরগাঁওয়ের শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৪৮ ঘণ্টা পর ঠাকুরগাঁওয়ের শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থানরত অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।সোমবার (৮ জুন) সকাল ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান। বিজিবি জানায়, রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার পর বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত ৩ পুরুষ, ৪ নারী ও ৪ শিশুসহ মোট ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে তারা আর সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় অবস্থান করছেন না।এর আগে গত শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টার পর ওই ১১ জন মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় কয়েকদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ও কয়েকজন শিশু থাকায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

দিনাজপুরে বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

যৌতুক মামলায় দিনাজপুর ডিসির দেহরক্ষী কারাগারে

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

দিনাজপুরে শহীদ মিনারে ডিসি আগে ফুল দেওয়ায় এমপির ক্ষোভ, বললেন ‘মিটিংয়ে এর জবাব নেবো’

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ, আলোচনায় নোয়াখালীর ২ সিনিয়র নেতা

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

খানসামা টিটিসি পরিদর্শনে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বাজার স্থিতিশীলতা, নাকি দামের ওপর নতুন চাপ

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

দিনাজপুরে লিচুর মুকুলে হাসছে চাষির স্বপ্ন

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি রেজিস্ট্রি চেষ্টার অভিযোগ: কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭

প্রচলিত বাজেটের মডেলকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী

প্রচলিত বাজেটের মডেলকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী

ব্রাজিলকে যেন জয় ‘উপহার’ দিল স্কটল্যান্ড

ব্রাজিলকে যেন জয় ‘উপহার’ দিল স্কটল্যান্ড

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কত

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কত

লক্ষ্মীপুরে ঢাবি শিক্ষার্থী, তার মা ও বোনকে কুপিয়ে হত্যা

লক্ষ্মীপুরে ঢাবি শিক্ষার্থী, তার মা ও বোনকে কুপিয়ে হত্যা

৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরেই রেকর্ড নেইমারের

৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরেই রেকর্ড নেইমারের

দিনাজপুরে মালীগ্রাম বাজারে চোরাই সন্ধ্যে মোটরসাইকেল সহ এক যুবক গ্রেপ্তার।

দিনাজপুরে মালীগ্রাম বাজারে চোরাই সন্ধ্যে মোটরসাইকেল সহ এক যুবক গ্রেপ্তার।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জটিল সমীকরণে ব্রাজিল

জটিল সমীকরণে ব্রাজিল

বড় পরীক্ষার সামনে আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়ার কাছে হারলে কী হবে মেসিদের?

বড় পরীক্ষার সামনে আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়ার কাছে হারলে কী হবে মেসিদের?