দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা, নেওয়া হয়েছে ঢামেকে



৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা, নেওয়া হয়েছে ঢামেকে
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা। ছবি- সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের অনুরোধে অবশেষে ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাদেরকে নেওয়া হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে।   

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে বিল আকারে উত্থাপনের দাবিতে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) থেকে আমরণ অনশনে বসেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। 

শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে জুলাই শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ জাবেরের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবা এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান। 

এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আশ্বাস দেন শিক্ষার্থীদের এবং ডাবের পানি পান করিয়ে তাদের অনশন ভাঙান। এরপর নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেলে। 

100

এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে একজন শিক্ষার্থী রাজধানীর রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন। একই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও একজন শিক্ষার্থী তার সঙ্গে যোগ দেন। 

পরে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থীও এই অনশনে অংশ নেন। 

অনশনে বাস শিক্ষার্থীরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ।

গত তিন দিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে অনশনরত এসব শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানান জুলাইয়ের পক্ষের অনেকে। অবশেষে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের আশ্বাসে দাড়ি পড়ল তাদের সেই কর্মসূচিতে।

বিষয় : ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা, নেওয়া হয়েছে ঢামেকে

আপনার মতামত লিখুন

দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা, নেওয়া হয়েছে ঢামেকে

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের অনুরোধে অবশেষে ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাদেরকে নেওয়া হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে।   

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে বিল আকারে উত্থাপনের দাবিতে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) থেকে আমরণ অনশনে বসেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। 

শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে জুলাই শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা, শহীদ সাইদুল ইসলামের বাবা, শহীদ জাবেরের বাবা, শহীদ সৈকতের বাবা এবং জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান। 

এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আশ্বাস দেন শিক্ষার্থীদের এবং ডাবের পানি পান করিয়ে তাদের অনশন ভাঙান। এরপর নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেলে। 

100

এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রথমে একজন শিক্ষার্থী রাজধানীর রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন। একই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও একজন শিক্ষার্থী তার সঙ্গে যোগ দেন। 

পরে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থীও এই অনশনে অংশ নেন। 

অনশনে বাস শিক্ষার্থীরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ।

গত তিন দিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে অনশনরত এসব শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানান জুলাইয়ের পক্ষের অনেকে। অবশেষে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের আশ্বাসে দাড়ি পড়ল তাদের সেই কর্মসূচিতে।


দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: শাহ্ আলম নূর আকাশ (8801715412204)
বার্তা সম্পাদক: মো: নুরুল হুদা দুলাল (8801715803963)
হেড অব নিউজ: আব্দুস সালাম (8801721460008) 
আইন উপদেষ্টা: অ্যাড. সারওয়ার আহমেদ বাবু (8801318071980)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডট কম