বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় শতাধিক ট্রেনযাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে সান্তাহারের সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলসাগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের বাগবাড়ী দক্ষিণপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আতহদের উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। তবে এ দুর্ঘটনায় চালকের অদক্ষতা ও স্টেশনের মাস্টারের দায়িত্ব অবহেলা হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে শত শত যাত্রী নীল সাগর ট্রেনযোগে সান্তাহার হয়ে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের ন্যায় এদিন সান্তাহার স্টেশন সংলগ্ন বগাবাড়ী নামক স্থানে রেল লাইনের কাজ চলছিল। কিন্তু নীলসাগর ট্রেনটি কিছু বুঝে উঠার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এর মধ্যে এসি চেয়ার ৭২৩৫, শোভন চেয়ার, ৭২৫০ শোভন চেয়ার, ৭২২৭ শোভন চেয়ার ,৭৫১৩ পাওয়ার কার, শোভন চেয়ার ৭৯০৫, ৭৯২৭ শোভন চেয়ার এবং শোভন চেয়ার ৭৯২৮ বগি আছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে। এর আগে অনেক যাত্রী নিজ নিজ উদ্যোগে চলে গেছে। তবে নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না কতো যাত্রী আহত হয়েছেন।
সান্তাহার জংশন স্টেশনের অধীনে দায়িত্বে থাকা ওয়েম্যান সোহেল বলেন, রেললাইন ভেঙে যাওয়ার কারণে এখানে কাজ হচ্ছিল। কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল দেওয়া আছে। তারপরও লাল ব্যানার দেওয়া থাকে। সিগন্যাল ও লাল ব্যানার উপেক্ষা করে ট্রেনটি এসে দুর্ঘটনায় পড়ে। এমনকি হাতের সিগন্যালও মানেননি চালক। আমি মনে করি এটা ট্রেনচালকের অবহেলার কারণে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জানতে চাইলে সান্তাহারের স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, কীভাবে এটা হলো এখন বলা যাবে না। পরবর্তীতে বলা যাবে। কারণ এখন এখানে ট্রেনের ড্রাইভার নেই। এ ঘটনায় সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় শতাধিক ট্রেনযাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে সান্তাহারের সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলসাগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের বাগবাড়ী দক্ষিণপাড়া নামক স্থানে পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আতহদের উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। তবে এ দুর্ঘটনায় চালকের অদক্ষতা ও স্টেশনের মাস্টারের দায়িত্ব অবহেলা হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে শত শত যাত্রী নীল সাগর ট্রেনযোগে সান্তাহার হয়ে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের ন্যায় এদিন সান্তাহার স্টেশন সংলগ্ন বগাবাড়ী নামক স্থানে রেল লাইনের কাজ চলছিল। কিন্তু নীলসাগর ট্রেনটি কিছু বুঝে উঠার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এর মধ্যে এসি চেয়ার ৭২৩৫, শোভন চেয়ার, ৭২৫০ শোভন চেয়ার, ৭২২৭ শোভন চেয়ার ,৭৫১৩ পাওয়ার কার, শোভন চেয়ার ৭৯০৫, ৭৯২৭ শোভন চেয়ার এবং শোভন চেয়ার ৭৯২৮ বগি আছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে শতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে। এর আগে অনেক যাত্রী নিজ নিজ উদ্যোগে চলে গেছে। তবে নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না কতো যাত্রী আহত হয়েছেন।
সান্তাহার জংশন স্টেশনের অধীনে দায়িত্বে থাকা ওয়েম্যান সোহেল বলেন, রেললাইন ভেঙে যাওয়ার কারণে এখানে কাজ হচ্ছিল। কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল দেওয়া আছে। তারপরও লাল ব্যানার দেওয়া থাকে। সিগন্যাল ও লাল ব্যানার উপেক্ষা করে ট্রেনটি এসে দুর্ঘটনায় পড়ে। এমনকি হাতের সিগন্যালও মানেননি চালক। আমি মনে করি এটা ট্রেনচালকের অবহেলার কারণে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জানতে চাইলে সান্তাহারের স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, কীভাবে এটা হলো এখন বলা যাবে না। পরবর্তীতে বলা যাবে। কারণ এখন এখানে ট্রেনের ড্রাইভার নেই। এ ঘটনায় সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন