দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিট আগেই শেষ



১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিট আগেই শেষ
ফাইল ছবি

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আগাম টিকিট বিক্রি নির্ধারিত দিনের কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়েছে। বাস কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের দাবি, তারা গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আগাম বাসের টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। তিন ফেব্রুয়ারি কয়েকদিনের মধ্যে সকল টিকিট বিক্রি শেষ হয়েছে। ফলে আগাম টিকিট বিক্রির জন্য তাদেরকে এখন আর কোনো কষ্ট করতে হচ্ছে না। আগামী ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চ তারিখের কোনো টিকিট নেই। এই তারিখগুলোয় কাউন্টারগুলোতে কোনো টিকিট মিলছে না। 

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের আশপাশে থাকা বিভিন্ন দুরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। 

শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার আসাদ জানান, এবার গত তিন মার্চ থেকে তারা আগাম টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। টিকিট বিক্রির নির্ধারিত তারিখের দুই দিনের মধ্যে তাদের টিকেট শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধুমাত্র আজ থেকে আগামী ১৫ তারিখের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে তবুও অল্প কিছু। 

কেন এত দ্রুত সময়ে টিকিট শেষ হলো জানতে চাইলে তিনি জানান, তাদের অধিকাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়। প্রতিবছর এমন ঘটনা ঘটে। এ বছরও অনলাইনে অধিকাংশ টিকিট বিক্রি হয়েছে।

তার মতে, অনলাইনে টিকেট বিক্রির সুবিধার কারণে এখন আর যাত্রীদের কাউন্টারে আসতে হয় না। কাউন্টারে না এসে যাত্রীরা টিকিট পেয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র তাদেরকে প্রিন্ট করে বের করতে হয়। সেই কপি অথবা মোবাইলে সফট কপি দেখালেই তারা টিকেট দিয়ে দেন। 

গাবতলীতে থাকা হানিফ পরিবহনের যে কয়টি কাউন্টার রয়েছে তার মধ্যে একটি কাউন্টারের কর্মী সোহান বলেন, আমাদের কাছে এখন আর আগামী ১৬ মাস থেকে ১৯ পর্যন্ত কোনো টিকেট পাবেন না। এখনই অনেক চাপ। কেউ টিকিট চাইলে দুই একটি থাকলেও সেটি আমরা পিছনের দিকে সিট দিচ্ছি।

গাবতলীতে থাকা দূরপাল্লার অধিকাংশ বাস কাউন্টারগুলো এখন ফাঁকা। অথচ অন্যদিন অন্য বছরগুলোতে আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা আসা মাত্র কন্ট্রোলগুলোর সামনে লাইন ধরে যায়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই দৃশ্য আর দেখা যাচ্ছে না। এবারও এমন ঘটনা ঘটেছে। 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকায় এখন বিভিন্ন জায়গায় পরিবহনগুলোর টিকিট কাউন্টার হয়েছে। ফলে সেগুলো থেকে আরেক কাউন্টারের টিকিট সহজে কাটা যাচ্ছে। এসব কারণে যাত্রীদের এখন ভোগান্তি কমেছে বলে মনে করেন তারা। 

আগাম টিকেটের জন্য এসেছিলেন সোহেল রানা। তিনি যাবেন উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়ে।  আগামী ১৭ তারিখের টিকিট খুঁজছিলেন। কিন্তু পেলেন না।

গাবতলীতে থাকা বিভিন্ন রুটের বাস কাউন্টারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা আসা মাত্র অধিকাংশ যাত্রী অনলাইনে এবং দিনের যেকোনো সময় এসে টিকিট কেটে নিয়ে গেছেন। ফলে তাদের আর ভোগান্তি হচ্ছে না। 

তার আরো বলছেন, তিন দিন তাদের ব্যবসা খুব জমবে। ঈদের আগের তিন দিন যে টিকিট বিক্রি হয়েছে সেই পরিবহনগুলোতে বাড়তি টিকিট বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। তবে তারা বাড়তি যাত্রীর চাপ সামলাতে বাস সার্ভিস বাড়ানোর চিন্তা করছেন। 

আপনার মতামত লিখুন

দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিট আগেই শেষ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আগাম টিকিট বিক্রি নির্ধারিত দিনের কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়েছে। বাস কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের দাবি, তারা গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আগাম বাসের টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। তিন ফেব্রুয়ারি কয়েকদিনের মধ্যে সকল টিকিট বিক্রি শেষ হয়েছে। ফলে আগাম টিকিট বিক্রির জন্য তাদেরকে এখন আর কোনো কষ্ট করতে হচ্ছে না। আগামী ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চ তারিখের কোনো টিকিট নেই। এই তারিখগুলোয় কাউন্টারগুলোতে কোনো টিকিট মিলছে না। 

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের আশপাশে থাকা বিভিন্ন দুরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। 

শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার আসাদ জানান, এবার গত তিন মার্চ থেকে তারা আগাম টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। টিকিট বিক্রির নির্ধারিত তারিখের দুই দিনের মধ্যে তাদের টিকেট শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধুমাত্র আজ থেকে আগামী ১৫ তারিখের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে তবুও অল্প কিছু। 

কেন এত দ্রুত সময়ে টিকিট শেষ হলো জানতে চাইলে তিনি জানান, তাদের অধিকাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়। প্রতিবছর এমন ঘটনা ঘটে। এ বছরও অনলাইনে অধিকাংশ টিকিট বিক্রি হয়েছে।

তার মতে, অনলাইনে টিকেট বিক্রির সুবিধার কারণে এখন আর যাত্রীদের কাউন্টারে আসতে হয় না। কাউন্টারে না এসে যাত্রীরা টিকিট পেয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র তাদেরকে প্রিন্ট করে বের করতে হয়। সেই কপি অথবা মোবাইলে সফট কপি দেখালেই তারা টিকেট দিয়ে দেন। 

গাবতলীতে থাকা হানিফ পরিবহনের যে কয়টি কাউন্টার রয়েছে তার মধ্যে একটি কাউন্টারের কর্মী সোহান বলেন, আমাদের কাছে এখন আর আগামী ১৬ মাস থেকে ১৯ পর্যন্ত কোনো টিকেট পাবেন না। এখনই অনেক চাপ। কেউ টিকিট চাইলে দুই একটি থাকলেও সেটি আমরা পিছনের দিকে সিট দিচ্ছি।

গাবতলীতে থাকা দূরপাল্লার অধিকাংশ বাস কাউন্টারগুলো এখন ফাঁকা। অথচ অন্যদিন অন্য বছরগুলোতে আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা আসা মাত্র কন্ট্রোলগুলোর সামনে লাইন ধরে যায়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই দৃশ্য আর দেখা যাচ্ছে না। এবারও এমন ঘটনা ঘটেছে। 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকায় এখন বিভিন্ন জায়গায় পরিবহনগুলোর টিকিট কাউন্টার হয়েছে। ফলে সেগুলো থেকে আরেক কাউন্টারের টিকিট সহজে কাটা যাচ্ছে। এসব কারণে যাত্রীদের এখন ভোগান্তি কমেছে বলে মনে করেন তারা। 

আগাম টিকেটের জন্য এসেছিলেন সোহেল রানা। তিনি যাবেন উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়ে।  আগামী ১৭ তারিখের টিকিট খুঁজছিলেন। কিন্তু পেলেন না।

গাবতলীতে থাকা বিভিন্ন রুটের বাস কাউন্টারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা আসা মাত্র অধিকাংশ যাত্রী অনলাইনে এবং দিনের যেকোনো সময় এসে টিকিট কেটে নিয়ে গেছেন। ফলে তাদের আর ভোগান্তি হচ্ছে না। 

তার আরো বলছেন, তিন দিন তাদের ব্যবসা খুব জমবে। ঈদের আগের তিন দিন যে টিকিট বিক্রি হয়েছে সেই পরিবহনগুলোতে বাড়তি টিকিট বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। তবে তারা বাড়তি যাত্রীর চাপ সামলাতে বাস সার্ভিস বাড়ানোর চিন্তা করছেন। 



দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর

প্রকাশক ও সম্পাদক: মো: শাহ্ আলম নূর আকাশ (8801715412204)
বার্তা সম্পাদক: মো: নুরুল হুদা দুলাল (8801715803963)
হেড অব নিউজ: আব্দুস সালাম (8801721460008) 
আইন উপদেষ্টা: অ্যাড. সারওয়ার আহমেদ বাবু (8801318071980)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডট কম