ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই লেকচারার আলজাজিরাকে বলেন, ‘যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা তেলের অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তেলের দাম একটা সময়ে প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা ট্যাংকারগুলোকে আর পাহারা দিতে না পারায় এমন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
হির্স বলেন, ‘তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারে আমরা এরই মধ্যে প্রভাব পড়তে দেখছি। (হামলার) প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।’
ডিজেলের দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে উল্লেখ করে হির্স বলেন, ‘গ্যাসনির্ভর দেশগুলো এখন পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ অর্ডারেও প্রভাব ফেলছে।’
হির্স সতর্ক করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই পরিস্থিতির বড় প্রভাব পড়বে। এমনটা ঘটলে অভ্যন্তরীণভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।’
সূত্র: আলজাজিরা

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই লেকচারার আলজাজিরাকে বলেন, ‘যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা তেলের অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তেলের দাম একটা সময়ে প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা ট্যাংকারগুলোকে আর পাহারা দিতে না পারায় এমন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
হির্স বলেন, ‘তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারে আমরা এরই মধ্যে প্রভাব পড়তে দেখছি। (হামলার) প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।’
ডিজেলের দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে উল্লেখ করে হির্স বলেন, ‘গ্যাসনির্ভর দেশগুলো এখন পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ অর্ডারেও প্রভাব ফেলছে।’
হির্স সতর্ক করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই পরিস্থিতির বড় প্রভাব পড়বে। এমনটা ঘটলে অভ্যন্তরীণভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।’
সূত্র: আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন