শিশুদের অসুখের মধ্যে টনসিলাইটিস বা টনসিলে প্রদাহ অহরহই দেখা যায়। প্রায়ই এ কারণে শিশুদের অস্ত্রোপচার করতে হয়। টনসিলাইটিস সাধারণত স্ট্রেপট্রোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়ে থাকে। আরো কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেও হতে পারে টনসিলাইটিস। গলায় ক্ষত বা গলাব্যথা টনসিলাইটিসের প্রথম দিকের লক্ষণ। খাবার-খাওয়ার সময় গলায় ব্যথা অনুভূত হতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে স্বল্পমাত্রার জ্বর। শরীরে ব্যথা ও ম্যাজম্যাজ ভাব থাকতে পারে। টনসিল ফুলে যেতে পারে, লাল হতে পারে। অনেক সময় কানেও ব্যথা হতে পারে।
আবার বারবার দেখা দিতে পারে টনসিলের প্রদাহ। যেটাকে রিকারেন্ট টনসিলাইটিস বলা হয়। সঠিক সময়ে টনসিলাইটিসের চিকিৎসা করালে রোগী ভালো হয়। আবার এ চিকিৎসায় অবহেলা করলে রোগীর বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। টনসিল বড় হয়ে শ্বাসনালিকে বন্ধ করে দিতে পারে। খাবার খাওয়ার সময় খুব বেশি ব্যথা হতে পারে। যদি চিকিৎসা করা না হয় তাহলে টনসিলের চারদিকে অ্যাবসেস বা ফোঁড়া হতে পারে। সরচেয়ে ভয়ংকর সমস্যাটি হলো টনসিলাইটিসের জীবাণু শিশুর হৃৎপিণ্ডের ভাল্ভে সমস্যা করে করতে পারে রিউমেটিক ফিভার। এ জন্য এ রোগের চিকিৎসা করা জরুরি। অনেকেই টনসিলাইটিস হলে দুচিন্তায় পড়ে যান। বুঝি শিশুর টনসিলে অস্ত্রোপচার করতেই হবে। তবে এটা ভুল ধারণা। পরপর দু-তিন বছর ধরে প্রতিবছর তিন-চারবার টনসিলে প্রদাহ, টনসিলে অ্যাবসেস বা ফোড়া হলে, টনসিল বড় হওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট, কথা বলায় সমস্যা ও ঘুমে সমস্যা হলে, অথবা এর থেকে আরো বেশি সমস্যা দেখা দিলে অস্ত্রোপচার করা প্রয়োজন পড়ে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
শিশুদের অসুখের মধ্যে টনসিলাইটিস বা টনসিলে প্রদাহ অহরহই দেখা যায়। প্রায়ই এ কারণে শিশুদের অস্ত্রোপচার করতে হয়। টনসিলাইটিস সাধারণত স্ট্রেপট্রোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়ে থাকে। আরো কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেও হতে পারে টনসিলাইটিস। গলায় ক্ষত বা গলাব্যথা টনসিলাইটিসের প্রথম দিকের লক্ষণ। খাবার-খাওয়ার সময় গলায় ব্যথা অনুভূত হতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে স্বল্পমাত্রার জ্বর। শরীরে ব্যথা ও ম্যাজম্যাজ ভাব থাকতে পারে। টনসিল ফুলে যেতে পারে, লাল হতে পারে। অনেক সময় কানেও ব্যথা হতে পারে।
আবার বারবার দেখা দিতে পারে টনসিলের প্রদাহ। যেটাকে রিকারেন্ট টনসিলাইটিস বলা হয়। সঠিক সময়ে টনসিলাইটিসের চিকিৎসা করালে রোগী ভালো হয়। আবার এ চিকিৎসায় অবহেলা করলে রোগীর বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। টনসিল বড় হয়ে শ্বাসনালিকে বন্ধ করে দিতে পারে। খাবার খাওয়ার সময় খুব বেশি ব্যথা হতে পারে। যদি চিকিৎসা করা না হয় তাহলে টনসিলের চারদিকে অ্যাবসেস বা ফোঁড়া হতে পারে। সরচেয়ে ভয়ংকর সমস্যাটি হলো টনসিলাইটিসের জীবাণু শিশুর হৃৎপিণ্ডের ভাল্ভে সমস্যা করে করতে পারে রিউমেটিক ফিভার। এ জন্য এ রোগের চিকিৎসা করা জরুরি। অনেকেই টনসিলাইটিস হলে দুচিন্তায় পড়ে যান। বুঝি শিশুর টনসিলে অস্ত্রোপচার করতেই হবে। তবে এটা ভুল ধারণা। পরপর দু-তিন বছর ধরে প্রতিবছর তিন-চারবার টনসিলে প্রদাহ, টনসিলে অ্যাবসেস বা ফোড়া হলে, টনসিল বড় হওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট, কথা বলায় সমস্যা ও ঘুমে সমস্যা হলে, অথবা এর থেকে আরো বেশি সমস্যা দেখা দিলে অস্ত্রোপচার করা প্রয়োজন পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন