1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  5. news@dinajpur24.com : nalam :
  6. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  7. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

মোর্শেদের সহযোগীদের হুমকি অজানা আতঙ্ক পালপাড়ায়

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫
  • ১ বার পঠিত

Bogra-Morshed-pic

 

বগুড়া: সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান মোর্শেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এলেও অজানা আতঙ্কে ভুগছেন শাজাহানপুরের পালপাড়ার বাসিন্দারা। মোর্শেদ গ্রেপ্তারের পর তার সহযোগী হানজেলা ও সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাও করার কারণেই তাদের মধ্যে এ আতঙ্ক বিরাজ করছে। মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে মোর্শেদ বাহিনীর লোকজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আড়িয়া পালপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শাজাহানপুর থানা পুলিশের গড়িমসির কারণেই মোর্শেদকে গ্রেপ্তার করতে সময় লেগেছে। দীর্ঘদিনের অত্যাচার নির্যাতনের পর গত ২৯ এপ্রিল রাতে বাড়িঘরে হামলার পর থানায় মামলা নিলেও পুলিশ ছিল অনেকটাই নিষ্ক্রিয়। এ কারণে বাধ্য হয়ে নিজেদের স্ত্রী-সন্তানের নিরাপত্তার জন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পুরুষ সদস্যরা রাত জেগে লাঠি হাতে পালাক্রমে গ্রাম পাহারা দেয়া শুরু করে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে গ্রামপাহারা দেয়ার ছবিসহ সংবাদ প্রকাশ হলে নড়ে চড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। গত রোববার বগুড়ার পুলিশ সুপার পালপড়া পরিদর্শনে যান। তিনি সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে সন্ত্রাসী মোর্শেদকে গ্রেপ্তারে কঠোর নির্দেশ দেন। এরপর রাতেই গ্রেপ্তার হয় মোর্শেদ।

ভুক্তভোগীরা আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশ সুপার নির্দেশ না দিলে আদৌ মোর্শেদ গ্রেপ্তার হতো কিনা তা নিয়ে সন্দিহান ছিল তারা।

স্থানীয়সূত্রমতে, চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত ২৯ এপ্রিল গভীর রাতে পালপাড়ায় হামালা চালায় মোর্শেদ বাহিনী। ওই রাতে অজয় চন্দ্রপালের বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করে সে। ভয়ে অজয় চন্দ্র পাল ঘরের দরজা না খোলায় তারা মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল ভাঙচুর করে। একই সময় সন্ত্রাসীরা বরুন, বাচ্চু, স্বপন, বিশ্বনাথসহ অনেকের বাড়িতে চাঁদা না পেয়ে ঘরের বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে মাটির তৈরি সামগ্রী ভাঙচুর করে।

কে এই মোর্শেদ: শাজাহানপুর উপজেলার পালাপাড়ার পার্শ্ববর্তী গ্রাম রহিমাবাদ দক্ষিণপাড়ার দিলবর রহমানের ছেলে মোর্শেদ(৩৫)। পুলিশের তালিকায় মাদক সম্রাট ও চাঁদাবাজ। ১৫/২০ জনের বাহিনী তার। মোর্শেদের নামে থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত না থাকলেও সবসময় ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় সে তার কর্মকাণ্ড চালায়। গত বছর মাদক ব্যবসার অধিপত্য নিয়ে তার সহাযোগী মশিউরের এক হাত কেটে নেয় প্রতিপক্ষরা।

২০০৩ সাল থেকে মোর্শেদ বাহনী পালপাড়া গ্রাম থেকে নিয়মিত চাঁদায় শুরু করে। চাঁদা না দিলে পালদের স্ত্রী, কন্যাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিত। তার ভয়ে অনেকে হয়েছে নিরুদ্দেশ। আবার অনেকে আশ্রয় নিয়েছে ভারতে।

 

Bogra-Thana-Pic-18-05-15

 

নির্যাতিত পরিবার: বছর খানেক আগে মায়ারানী নামের এক অসহায় বিধবার মাথা গোঁজার একমাত্র ঘর ভাঙচুর ও গাছ-পালা কেটে ফেলে। বসতভিটা থেকে উচ্ছেদেরও হুমকি দেয়। ৬-৭ মাস আগে গভীর রাতে পালপাড়ার অধিকাংশ বাড়ির মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল ভাঙচুর করে। কালা চন্দ্র নামের এক প্রতিবন্ধী যুবক ছাড়াও দীপক, বিদ্যুৎসহ বেশ কয়েক জনকে মারপিট করে মোবাইল ও টাকা কেড়ে নেয় তারা। শুধু তাই নয় বাড়ির বউ-ঝি পর্যন্ত নিরাপদ ছিল না মোর্শেদের অত্যাচার-নির্যাতন থেকে। গোপাল নামের এক ব্যক্তির স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে জোর করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে বেশ কয়েক দিন আটকে রাখে। তার অত্যাচারে গোপাল, ডাবলু ছাড়াও বেশ কয়েকটি পরিবার এখন ভারতসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

Bogra-Sp-pic-BM

পুলিশের বক্তব্য: শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, হিন্দু পরিবারের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দীর্ঘদিনের। এর আগে কখনো তারা পুলিশকে অবগত করে নাই। ২৯ এপ্রিলের রাতের ঘটনার পর পালপাড়ায় রাতে পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হয়। ইতোমধ্যে সন্ত্রাসী মোর্শেদ ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে এলাকাবাসীকে সাহস দিতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা সভা সমাবেশ করেছে।

ওসি আব্দুল মান্নান আরো বলেন, লয়া মিয়া হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি মোর্শেদ। সে মাদক সম্রাট এবং সন্ত্রাসী হিসেবে পুলিশের তালিকাভূক্ত। তবে সন্ত্রাসীর ভয়ে কেউ ভারতে আর কেউ বা নিরুদ্দেশ হয়েছেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, এমন ঘটনা শুনেছি। তবে এসব অনেক আগের ঘটনা।

(বাংলামেইল২৪ডটকম-এর সৌজন্যে)

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর