1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. erwinhigh@hidebox.org : adriannenaumann :
  3. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  4. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  5. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  6. rosettaogren3451@dvd.dns-cloud.net : darrinsmalley71 :
  7. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  8. emmie@a.get-bitcoins.online : earnestinemachad :
  9. vandagullettezqsl@yahoo.com : gastonsugerman9 :
  10. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  11. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  12. corinehockensmith409@gay.theworkpc.com : meaganfeldman5 :
  13. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  14. news@dinajpur24.com : nalam :
  15. marianne@e.linklist.club : noblestepp6504 :
  16. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  17. armandowray@freundin.ru : normamedlock :
  18. rubyfdb1f@mail.ru : paulinajarman2 :
  19. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  20. Roosevelt_Fontenot@speaker.buypbn.com : rooseveltfonteno :
  21. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  22. gorizontowrostislaw@mail.ru : spencer0759 :
  23. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:০২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

চাকরিতে ঢোকার বয়স বাড়ানো হোক

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৬ মার্চ, ২০১৬
  • ১ বার পঠিত

(এস.এন.আকাশ, সম্পাদক, দিনাজপুর২৪.কম) চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ছে না। পড়ালেখার সময় বাড়ছে। বাড়ছে চাকরি প্রাপ্তির জটিলতা। দেশে বাড়ছে বেকার সংখ্যাও সমানতালে। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে আন্দোলন করে যাচ্ছে। কিন্তু তাতে সায় নেই সরকারের। ২৯ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদে চলতি অধিবেশনের প্রশ্নত্তোরপর্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। এমন সংবাদ সরকারি চাকুরী প্রত্যাশিদের হতাশ করে বৈকি!
এদেশে পড়াশোনা শেষে চাকরি খুঁজতে খুঁজতেই অনেক সময় চলে যায়। কিছুতেই চাকরি মেলে না। এভাবে এক দিন সরকারি চাকরি পাবার বয়স সীমাও পার হয়ে যায়। যারা চাকরি নামক সোনার হরিণের দেখা পায় না তারা হতাশায় ভোগেন, ভোগেন মনোকষ্টে। আমাদের দেশে সাধারণত একজন শিশুকে পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি করা হয়। গ্রামে আরও পরেও কেউ কেউ ভর্তি হয়। বর্তমানে প্লে থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পাস করতে সময় লাগে যায় ১২ থেকে ১৪ বছর। তখন ছাত্রটির বয়স হয় ১৮ কি ১৯ বছর। তারপর উচ্চ মাধ্যমিক পাস করতে লাগে আরও দুই বছর। তখন ছাত্রটির বয়স হয় ২০-২১ বছর। তারপর উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লড়াই করতে হয় অন্তত এক বছর। দুর্ভাগাদের জন্য দুই বছর। চার বছরের অনার্স করতে সময় লাগে কম করে ছয় বছর। আর এক বছরের মাস্টার্স করতে সময় লাগে দুই বছর। এখন দেখা যাচ্ছে, একজন ছাত্রকে সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবন শেষ করতে সময় লাগে ২৯ বছর। কখনও কখনও তা ৩০-৩১ বছরও লাগে। সেশনজটেই আমাদের শিক্ষাজীবনের পাঁচ-ছয়টি বছর খেয়ে ফেলে। এ সময়টা বাড়তি না লাগলে চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়ানোর প্রশ্নই থাকত না। কারণ এ ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন শেষ হতো সর্বোচ্চ ২৩-২৪ বছরে। কারও ফল খারাপ কিংবা কোনো কারণে শিক্ষাজীবনে গ্যাপ তৈরি হলে তার আর কোনোভাবেই সরকারি চাকরির যোগ্যতা থাকে না। আর যারা নিয়মিতভাবে লেখাপড়া করে ২৮-২৯ বছরে শিক্ষাজীবন শেষ করে তাদের জন্য এক-দুই বছর চাকরির খোঁজা দুস্কর হয়ে পড়ে বৈকি!  বর্তমানে একটি পদের জন্য যেখনে ২০০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়, সেখানেই কিভাবে প্রতিযোগিতায় টিকে এ স্বল্প সময়ের মধ্যে চাকরি নামক সোনার হরিণের দেখা মিলবে? সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়লেও ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের সময় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ছে না। ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৫৭ থেকে ৫৯ বছর করা হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির কারণে তা ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। এর আগে ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বয়স ৫৯-এ উন্নীত করা হয়। এছাড়া গত বছরের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করার ঘোষণা দেন। বর্তমানে যারা সেশন জটের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে ৫/৬টি বছর নষ্ট করছে তাদেরকে ৩৫ বছর পর্যন্ত চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ দেয়া খুবই যুক্তিযুক্ত। আমাদের সরকারকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, দেশে একজন বেকার থাকা মানে গোটা জাতির বোঝা, পরিবারের বোঝা, সমাজের বোঝা। এ রাষ্ট্র যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩২ বছর পর্যন্ত চাকরির সুযোগ দিতে পারে তাহলে সাধারণ জনগণের সন্তানেরাও এক্ষেত্রে এ সুযোগটা দেয়া হলে দোষের এমনকি? আমি সর্বশেষ সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ রাখবো, হয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নির্বিঘœ করুন, বিশেষ করে সেশনজট কমানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন, নয়তো সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছর করুন। যারা কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেন তারা খুব সহজেই একটা চাকরি পাওয়ার আশায় থাকেন। চাকরিটা যেন হয় ন্যূনতম সম্মানজনক আর ভালো বেতনের। সেক্ষেত্রে সরকারি চাকরির জুড়ি নেই। এমন চাকরিই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রাখেন অনেক চাকরি প্রত্যাশী। কিন্তু সরকারি চাকরি ক’জনের ভাগ্যে জোটে? সরকারি চাকরিতে ঢুকতে পারলে গর্বিত, আনন্দিত বোধ করেন বেশিরভাগ লোকই। কিন্তু আমাদের দেশের সব শিক্ষিত লোককে সরকারি চাকরি দেওয়া তো আর সম্ভব নয়। তাই ৩০ বছর বয়সীরা, শিক্ষিত বেকার যুবকরা থাকেন অস্থিরতায়। চাকুরি নিশ্চিত কওে তাদের অস্থিরতা দুর করতে হবে।
শিক্ষা জীবন শেষে চাকুরি না পাওয়া এটা অমানবিক। এটা এক দৃষ্টিতে অবিচার। সরকারি চাকরির বয়স বাড়াতেই হবে। এটা শুধু যৌক্তিক দাবিই নয়, এদেশের শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের অধিকারও বটে। কমপক্ষে ৩৫ বছর চাকরির ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন করতে হবে, বিশেষ করে সেশনজট কমানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, নয়তো সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছর করা খুবই দরকার। বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেভাবে সেশনজট বাড়ছে, যেখানে একজন শিক্ষার্থীকে তার ছাত্রজীবন শেষ করতে ২৮-২৯ বছর সময় লেগে যায়। তারা চাকরিতে প্রবেশের জন্য সময় পায় এক-দু’বছর। অনেকেরই এ সময়ের মধ্যে সরকারি চাকুরি জোটে না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫-৪০ বছর পর্যন্ত। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর। আমাদের দেশে গড় আয়ু বাড়লেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হচ্ছে না। সরকারি চাকরির অবসরের বয়সসীমা বাড়লেও প্রবেশের বয়সসীমা না বাড়ানো অযৌক্তিক। তাতে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার ভয়াবহ হচ্ছে। বিশেষভাবে এদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত কয়েক বছরে এ সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অন্য কারণও আছে। গত এক-দেড় যুগে বহু প্রাইভেট কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবছর এগুলো থেকে গড়ে এক লাখ শিক্ষার্থী ডিগ্রি নিয়ে বেরুচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় চাকরি বা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না হওয়ায় হু হু করে বাড়ছে বেকারত্ব। এ অবস্থায় সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে যারা ডিগ্রি নিয়ে বেরুচ্ছে তাদেরকে বাড়তি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
ছোট-বড় যাই হোক একটি সরকারি চাকরি এখন বাংলাদেশে সোনার হরিণের মতো। এতে পেনশন, ভাতা ও পারিবারিক ভাতাসহ যে সুযোগ-সুবিধা ও ‘জব সিকিউরিটি’ বা চাকরির নিরাপত্তা রয়েছে, তা খুব কম বেসরকারি বা প্রাইভেট চাকরিতে তা রয়েছে। তাই এই চাকরির প্রতি শিক্ষিত শ্রেণির মানুষের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। কিন্তু বয়সসীমার সীমাবন্ধতা, চাকরি স্বল্পতা, স্বজনপ্রীতি নির্বিচারে কোটা আরোপ ইত্যাদি কারণে এই চাকরি চিরতরে সাধারণ শিক্ষার্থী তথা ডিগ্রিধারীদের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের সময়সীমা বাড়লেও প্রবেশের সময়সীমা না বাড়ায় চাকরির পদ শূন্য হওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে। তরুণরা বঞ্চিত হচ্ছে চাকরি থেকে। সরকারি ও বেসরকারি সব চাকরিতেই চাকরির সর্বোচ্চ সময়সীমা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্রপরিষদ নামের একটি সংগঠন। সব দিক বিবেচনা করে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছর করারার তাদেও দাবি যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছি আমরা।
বর্তমানে যারা সেশন জটের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে পাঁচ-ছয়টি বছর নষ্ট করছে তাদেরকে ৩৫ বছর পর্যন্ত চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত। সরকারকে মনে রাখতে হবে যে, দেশে একজন বেকার থাকা মানে গোটা জাতির বোঝা, পরিবারের বোঝা, সমাজের বোঝা। এ রাষ্ট্র যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩২ বছর পর্যন্ত চাকরির সুযোগ দিতে পারে তাহলে সাধারণ জনগণের সন্তানেরাও এক্ষেত্রে এ সুযোগটা দেওয়া হলে দোষের কিছু হবে না সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ রাখব-হয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নির্বিঘœ করুক, বিশেষ করে সেশনজট কমানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুক, নয়তো সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছর করুক। সেসঙ্গে চাকুরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বন্ধ করতে হবে। চাকরি পেতে কালো টাকার ব্যবহার রোধ করতে হবে। কারণ টাকা হলে অনেক ক্ষেত্রে মেধাবীদের কাছ থেকে চাকরি ছিনিয়ে নেয়। তাই সত্যিকার মেধাবীদেও যথাযথভাবে নিয়োগ প্রদানে সরকারকে সচেষ্ট হতে হবে।বর্তমানে যারা সেশনজটের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে ৫/৬টি বছর নষ্ট করছে তাদের ৩৫ বছর পর্যন্ত চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ দেয়া খুবই যুক্তিযুক্ত। আমাদের সরকারকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, দেশে একজন বেকার থাকা মানে পরিবারের বোঝা, সমাজের বোঝা গোটা জাতির বোঝা। -ডেস্ক

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর