মো. আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ঝাড়ার বিল গড়পিংলাই গ্রামে সরকারী ডাকের পুকুর নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মারপিট,বাড়ী ভাংচুর একই পরিবারের আহত ৪। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৭ শে জুলাই । ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ঝাড়ার বিল গড়পিংলাই গ্রামের শ্রী পুনিল চন্দ্র রায় এর এক লিখিত অভিযোগে জানাযায়, শ্রী. বিপ্লব চন্দ্র রায় গড়পিংলাই গ্রামে ০৭.০২.২০১২সালে ফুলবাড়ী সমবায় দপ্তর থেকে মৎস জীবীসমবায় সমিতির রেজিস্ট্রিশন নিয়ে ৫সদস্য বিশিষ্ট একটি সংগঠন করেন। সেই সংগঠন এর পক্ষ থেকে পুকুরটি ইজারা নেয়ার জন্য দরপত্রের মাধ্যমে আবেদন করেন। পরবর্তীতে জলমহল ব্যাবস্থাপনা কমিটির যাছাইবাছাই অন্তে সমিতি সর্বোচ্চ দর প্রদান করায় ঐ সমিতির নামে উক্ত পুকুরটি বরাদ্দ প্রদান করেন। সেই প্রেক্ষিতে দরপত্রের দর ও ভ্যাট এবং আয়কর সহ সম্পন্ন টাকা শ্রী বিপ্লব চন্দ্র রায় সরকারী বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক ১একর ৯২শতক পুকুরটি সরকারী কোষাগারে ১লাখ ৫১হাজার ৪শত ৭০টাকা গত ১৫.০৬.২০১৭ইং তারিখে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখায় জমা দেন। টাকা জমা প্রদানের পর উক্ত পুকুরে রুই,কাতলা,তেলাপিয়া মাছসহ অন্যান্য মাছ পুকুরে ছাড়া হয়। গত ২৪.০৬.২০১৭ইং তারিখে ঐ গ্রামের শ্রী. শ্যামল চন্দ্র রায়(৩৫),পিতা-মৃত.নরেন্দ্র নাথ রায়, মৃত.বিপিন চন্দ্র রায় এর পুত্র শ্রী.অশি^নি চন্দ্র রায়(৫৫),মৃত. খগেন্দ্র নাথ রায় এর পুত্র শ্রী.রঞ্জিত চন্দ্র রায়(৫০) মৃত.নরেন্দ্র নাথ রায় এর পুত্র শ্রী বিমল চন্দ্র রায়(৪০)গংরা দলাবদ্দ হয়ে মারিয় ফেলিবে,লাশ গুম করবে,পুকুরে মাছ মারিয়া ফেলিবে মর্মে প্রতিপক্ষরা হুমকী প্রদান করে। সেই কারনে শ্রী বিপ্লব চন্দ্র রায় গত ০৭.০৭.২০১৭ইং তারিখে ফুলবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গত ২৭.০৭.২০১৭ইং তারিখে ঝাড়ারবিল গড়পিংলাই গ্রামে দুপুর ২টায় দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মারামারী ও ঘরবাড়ী ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য যে উপরের উল্লেখিত ব্যাক্তিরা ঐ গ্রামের একই বাড়ীর মহেশ^র বাতাসু(৫০)তার স্ত্রী বিশো বালী(৪৫)তার মেয়ে রুপালীদেরকে ব্যাপক ভাবে মারপিট করেন। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে বিরামপুর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। এর মধ্যে বিশো বালী মারাক্তক ভাবে আহত হন। তার অবস্থা এখন আশংখা জনক। বর্তমানে সকলেই বিরামপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুকুর দখল না পাওয়ায় শ্রী বিপ্লব চন্দ্র রায় বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এহেতেশাম রেজাকে কয়েকবার অবগত করেছেন। কিন্তু তিনি কোন পদক্ষেপ নেইনি বলে জানান। এ বিষয়ে জানার জন্য ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এহেতেশাম রেজার সাথে গতকাল শনিবার(আজ) মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন গ্রহন করেননি। এ দিকে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব এর সাথে এই বিষয়ে জানার জন্য মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।