এম.আর. মিজান (দিনাজপুর২৪.কম) পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। বঞ্চিতরা এ পদোন্নতিকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে সবার পদোন্নতি নিশ্চিতের দাবী জানিয়েছেন। সেই সাথে টাকার বিনিময়ে বোর্ড চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ পদোন্নতির ফাইলে সই করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের ৬২ জন বঞ্চিত কর্মচারীকে তাদের ন্যায্য প্রাপ্য পদোন্নতি পেতে এখন সংশ্লিষ্টদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর’র মোট ৮৪ জন কর্মচারীর একযোগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হবার কথা। নিয়ম অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে খসড়া তালিকা প্রস্তুত কিংবা গোপনীয় প্রতিবেদন প্রদান করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সব নিয়ম-নীতিকে পাশ কাটিয়ে হঠাৎ করে ৮৪ জনের মধ্যে মাত্র ২২ জনের পদোন্নতির ফাইল প্রস্তুত করা হয়। কিভাবে সে ফাইল প্রস্তুত হলো তা কেউ বলতে পারেন না।
পাশাপাশি জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী এ ব্যাপারে একটি ডিও লেটার দিলেও কোন কাজ হয়নি। একই ভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমও বিষয়টিতে কর্মচারীদের সুবিধা প্রদানের কথা বলেও কোন কাজ হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠেছে-কিসের শক্তিতে বোর্ড চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এহেন কর্মকান্ড করছেন সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
এদিকে পদোন্নতি বঞ্চিতদের দাবী-অবিলম্বে সবার পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে বঞ্চিতদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ বিষ্ফোরিত হলে বোর্ডে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে, তার জন্য চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদেরই দায়ী থাকতে হবে বলে সুধী মহল মনে করছেন।