(দিনাজপুর২৪.কম) করোনা মহামারির কারণে ইউরোপের অন্যান্য ক্লাবের মতো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বার্সেলোনাও। তাদের দেনার পরিমাণটা কত সেটা জানা গেছে ক্লাবের সদ্য প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে। বার্সেলোনার মোট দায়ের পরিমাণ ছাড়িয়েছে বিলিয়ন ইউরো। ১ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মোট দায়ের মধ্যে শুধু স্বল্পমেয়াদি দায়ের মাত্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার মতো (৭৩ কোটি ইউরো)। এই ৭৩ কোটি ইউরোর মধ্যে সাড়ে ২৬ কোটি ইউরো দেনা হয়েছে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন দায়বদ্ধ ও বিনিময়যোগ্য সিকিউরিটি বাবদ। খেলোয়াড় কেনা বাবদ ১৬ কোটি ইউরো আর অন্যান্য ধারদেনা ৩০ কোটি ইউরো।

এত দেনা বার্সেলোনা পরিশোধ করবে কিভাবে? বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবটি তাকিয়ে আছে গ্যালারিতে দর্শক ফেরার দিকে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ন্যু ক্যাম্পের মোট আসন সংখ্যার ২৫ শতাংশ এবং মে মাসে ৫০ শতাংশ দর্শককে গ্যালারিতে খেলা দেখার সুযোগ করে দেয়ার পরিকল্পনা বার্সার। এতে আয় হবে ৫৬ মিলিয়ন ইউরো।

তাতেও দায়মুক্তি মিলবে না তাদের। বার্সেলোনার অর্থ বিভাগ তাই হেঁটেছে ভিন্ন পথে। অর্থ পরিশোধের জন্য জুন পর্যন্ত পাওনাদারদের কাছে সময় চাইবে তারা। ইতোমধ্যে দেনদরবারও শুরু করেছে।

এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বার্সেলোনার প্রাপ্য ৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বকেয়া পরিশোধে সময়ক্ষেপণ করছে। আর্থিক টানাপোড়নের কারণে পছন্দের খেলোয়াড় কিনতে পারেছ না বার্সেলোনা। কাতালান ক্লাবটি অপেক্ষায় পছন্দের খেলোয়াড়দের চুক্তি শেষের। আগামী জুনেই চুক্তি শেষ হবে ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া, লিভারপুলের ডাচ মিডফিল্ডার জর্জিনিও ভাইনালডম ও অলিম্পিক লিঁওর ডাচ ফরোয়ার্ড মেম্ফিস ডিপাইয়ের। এই তিন ফুটবলারকে আসছে মৌসুমে ফ্রি ট্রান্সফারে দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা বার্সেলোনার। -ডেস্ক