(দিনাজপুর ২৪.কম) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তরে প্রচারিত খবর ও আলোচনা অনুষ্ঠান ‘একাত্তর জার্নালের’ ভিডিও ফুটেজ এবং ওই অনুষ্ঠানে প্রচারিত দুই বিচারপতির কথোপকথনের অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ কথা জানান।
 গত রোববার একাত্তর টিভির ওই অডিও ও ভিডিওর রেকর্ড আদালতে জমা দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
 এর আগে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ গত মঙ্গলবার স্বপ্রণোদিত হয়ে ১৬ আগস্টের মধ্যে ওই ভিডিও ফুটেজ ও অডিও রেকর্ড জমা দেওয়ার জন্য একাত্তর টিভিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
 একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর চূড়ান্ত রায় প্রকাশের আগে বিচারকদের কথিত ভূমিকা নিয়ে জনকণ্ঠে গত ১৬ জুলাই ‘সাকার পরিবারের তৎপরতা: পালাবার পথ কমে গেছে’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ হয়। নিবন্ধটি লিখেছিলেন জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়।
 নিবন্ধে সাকা চৌধুরীর মামলায় রায় প্রদানকারী এক বিচারকের সঙ্গে সাকা পরিবারের সাক্ষাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। ওই নিবন্ধ আদালতের নজরে এলে ২৯ জুলাই স্বপ্রণোদিত হয়ে জনকণ্ঠের সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে রুল জারিসহ তলব করেন আপিল বিভাগ।
 এরপর ১০ আগস্ট ওই রুলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন শুনানিতে জনকণ্ঠের পক্ষে আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলন আদালতে একটি অডিও রেকর্ডের শ্রুতিলিখন উপস্থাপন করেন, যাতে বিএনপি নেতা সাকা চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধ মামলা ও বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের বাড়ি নিয়ে মামলার বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে অন্য এক বিচারপতির কথোপকথন ছিল।
 একাত্তর টেলিভিশন ১০ আগস্ট তাদের খবরে ওই অডিও রেকর্ড সম্প্রচার করে এবং রাতে সংবাদ বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান ‘একাত্তর জার্নাল’-এ ওই রেকর্ডের বিষয়ে আলোচনা করে। ওই অনুষ্ঠান নজরে এলে মঙ্গলবার আপিল বিভাগ অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলামের মতামত শোনেন। পরে ভিডিও ফুটেজ ও অডিও রেকর্ড আদালতে জমা দিতে একাত্তর টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।(ডেস্ক)