পুরোনো ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৮৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা গত ৫৬ দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর আগে এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্তের খবর এসেছিল গত ১০ সেপ্টেম্বর। সেদিন ১ হাজার ৮৯২ জন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সবশেষ এই পরিস্থিতি তুলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে বলা হয়েছে, সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত নতুন ১ হাজার ৮৪২ জনকে নিয়ে দেশে মোট ৪ লাখ ১৬ হাজার জন ৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর গত একদিনে এ ভাইরাসে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ২১ জনে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে গত এক দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৮৯১ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫৮৮ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৪টি ল্যাবে ১৫ হাজার ৪০ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট পরীক্ষা হয়েছে ২৪ লাখ ৪ হাজার ৯০২ টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১০ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮০ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ, তা ২৬ অক্টোবর ৪ লাখ পেরিয়ে যায়। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল বুধবার তা ছয় হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৪ কোটি ৮১ লাখ ছাড়িয়েছে, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ১২ লাখ ২৫ হাজারের ঘরে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ২২তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩১তম অবস্থানে। -ডেস্ক