-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এগুলো হচ্ছে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে শীঘ্রই জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে দ্রুত মামলা করা এবং নির্বাচনি সহিংসতায় যেসব এলাকার নেতা-কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সেসব এলাকা সফর। মঙ্গলবার ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠক শেষে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। ড. কামাল হোসেন জানান, নির্বাচনের সময় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও প্রশাসনের হামলায় আহত নেতাকর্মীদের দেখতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা জেলা সফর করবেন। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে সিলেটের বালাগঞ্জে যাবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। সেখানে আমাদের একজন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন আদায় করব। সেই আন্দোলনের জন্য ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক নিয়মিত হবে বলেও জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দ্রুত নতুন নির্বাচনের দাবিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

ফখরুল জানান, দেশব্যাপী নির্বাচনকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জনসংযোগ ও পরিদর্শন করা হবে। দুয়েকদিনের মধ্যে সিলেটের বালাগঞ্জে নিহত ঐক্যফ্রন্টের নেতার বাড়িতে যাবে নেতৃবৃন্দ। -ডেস্ক