(দিনাজপুর২৪.কম) মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটের কাছে পদ্মা নদীতে আজ বুধবার লঞ্চ ও গরুবাহী ট্রলারের সংঘর্ষের পর ৩৫টি গরু নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। সাতটি গরু উদ্ধার সম্ভব হলেও বাকিগুলো নিখোঁজ রয়েছে।  এ ছাড়াও ট্রলারে থাকা মাঝি ও গরুর ব্যাপারীসহ ১৪ জনের সবাইকেই উদ্ধার করা হয়েছে।  পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ ঐশী খান যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। এ সময় সিরাজগঞ্জের চৌহালী থেকে ৩৫টি গরু নিয়ে গরুর ব্যাপারীরা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা গরুর হাটে যাচ্ছিলেন। পথে শিমুলিয়া ঘাটের কাছে লঞ্চ ও ট্রলারের সংঘর্ষে গরুর ট্রলারটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ট্রলার ও স্পিডবোট গিয়ে গরু, ট্রলারের মাঝি ও গরুর ব্যাপারীদের উদ্ধার করে। সাতটি গরুর গলার বাঁধন কেটে দিলে গরুগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি গরুগুলো ট্রলারের সঙ্গে তলিয়ে যায়। ওই গরুগুলো নিখোঁজ রয়েছে।
বেঁচে যাওয়া ব্যাপারীদের মধ্যে যাঁদের পরিচয় পাওয়া গেছে তাঁরা হলেন আইয়ুব আলী, রহিম, বারেক ব্যাপারী, আব্দুস সালাম, নুর মোহাম্মদ মুন্সী, আবদুর রশীদ। তাঁদের সবার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী এলাকায়।  ট্রলারে থাকার গরুর ব্যাপারী বারেক ব্যাপারী জানান, ৩৫টি গরুর মধ্যে তাঁর ৩০টি। ট্রলারটি ঠিকমতো যাচ্ছিল। লঞ্চটি এসে তাঁদের ট্রলারটিকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে লঞ্চমালিক সমিতির সদস্য মো. ইমরান খান জানান, গরুবাহী ট্রলারটি লঞ্চটির ওপরে এসে পড়ে। খবর পেয়ে আমরা গরু ও ব্যাপারীদের উদ্ধারে ঘাট থেকে স্পিডবোট ও ট্রলার পাঠিয়েছি।
মাওয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (বর্তমানে শিমুলিয়া ঘাটের দায়িত্ব) এস আই মোশারফ হোসেন  জানান, ৩৫টি গরুর মধ্যে ৭টি উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। ব্যাপারী ১৪ জনকেই উদ্ধার করা হয়েছে।
লৌহজং থানায় ওসি মোল্লা জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। -ডেস্ক