-ড. কামাল হোসেন – সংগৃহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে জনগণই রক্ষা করবে। ৩০ ডিসেম্বরের কলংকিত তথাকথিত সংসদ নির্বাচন গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে। শনিবার দলের কার্যালয়ে গণফোরামের সভাপতি পরিষদের সভায় সভাপতির ভাষনে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার, আইনের শাসন কায়েম এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় ও জোরদার করতে হবে। জনগণ বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সচেষ্ট। এই লক্ষ্যে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মোস্তফা মোহসীন মন্টু, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এডভোকেট এস.এম. আলতাফ হোসেন, মোকাব্বির খান, এডভোকেট শান্তিপদ ঘোষ, এডভোকেট তবারক হোসেইন, এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, আ.ও.ম. শফিক উল্লাহ, মোশতাক আহমেদ প্রমুখ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, মেজর জেনারেল অব. আমসাআ আমিন, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক। সভায় এক সিদ্ধান্তে আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারিত হয়। সভাপতি পরিষদ সদস্যদের নেতৃত্বে কাউন্সিলের পূর্বেই জেলা সম্মেলন ও সফরসূচী সম্পন্ন করা হবে। গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, কুশাসন থেকে জনগণ মুক্তি চায়, মিথ্যার উপর রাষ্ট্র চলতে পারে না। ঢাকা মহানগর গণফোরামের বর্ধিতসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, দেশে সুস্থ রাজনীতির চাহিদা আছে এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। মানুষের মাথা কেনা যায় না, গরু-ছাগলের মাথা কেনা যায়। যারা গরু-ছাগলের মত বিক্রি হয় তারা দালাল হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, অতীতে রাজনীতি ছিল মানুষকে নিয়ে, মানুষের সংকটগুলো চিহ্নিত করে সক্রিয়ভাবে জনগণের সাথে মিলে মিশে মহানগর নেতৃবৃন্দকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। ড. কামাল হোসেন বলেন, জনগণের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে সার্বক্ষনিক জনগণের সাথে থাকলে অচিরেই সুস্থ ধারার রাজনীতি দৃশ্যমান হবে। দেশের বেশিরভাগ মানুষ সুস্থ্য ধারার রাজনীতির পক্ষে। সুস্থ্য ধারার রাজনীতির চর্চা হতে থাকলে অপরাজনীতি চিরতরে বিদায় নেবে।

রাজধানীর ইডেন কমপ্লেক্সস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর গণফোরামের বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মোস্তফা মোহসীন মন্টু। সভায় বক্তব্য রাখেন সাইদুর রহমান সাইদ, আইযুব খান ফারুক, রফিকুল ইসলাম পথিক, হারুনুর রশীদ তালুকদার, মোঃ রওশন ইয়াজদানী, ফরিদা ইয়াছমীন, কাজী হাবিব, ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, মোঃ মিজানুর রহমান, লতিফুল বারী হামিম, এম. শফিউর রহমান খান বাচ্চু, মোঃ আজাদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান বুলু, রেজাউল হাসান, শেখ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। -ডেস্ক