(দিনাজপুর২৪.কম) ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সরকার ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) গ্রহণ করেছে। ১ হাজার ৫৮৪টি প্রকল্পের জন্য এই অর্থ ধরা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) করোনা পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নতুন এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ।

করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এনইসি সভায় যোগ দিয়েছেন এবং সভায় সভাপতিত্ব করেছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তারা ছিলেন শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে।

জানা গেছে, মূল এডিপি ছাড়া স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা বা করপোরেশনের প্রায় ৯ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকায় এডিপিও অনুমোদন করেছে এনইসি। স্বায়ত্বশাসিত সংস্থাসহ সরকারের এডিপি’র সর্বমোট আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১১ কোটি টাকা প্রায়।

দারিদ্র্য নিরসন ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার প্রতিবারের মতো এ বছরও দেশজ সম্পদ, বৈদেশিক অর্থায়ন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এডিপি প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়।

এডিপি’র সফল বাস্তবায়ন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি), পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এবারের এডিপিতে সর্বাধিক গুরুত্ব পাওয়া ১০টি খাত হচ্ছে- ১. পরিবহন, ২. অবকাঠামো, পানি ও গণপূর্ত, ৩. বিদ্যুৎ, ৪, শিক্ষা ও ধর্ম, ৫. বিজ্ঞান, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৬. পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান, ৭. স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ, ৮. কৃষি, ৯. পানি সম্পদ, ১০. জনপ্রশাসন। যা মোট এডিপি’র ৯৩ দশমিক ১৯ শতাংশ -ডেস্ক