প্রতীকী ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে দুই কাউন্সিলরপ্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে হয়েছে। এতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন পাঁচজন। আজ রোববার বেলা ২টার দিকে উপজেলার মুন্সিপাড়ার ৫নং ওয়ার্ডে মহিলা কলেজকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম ছোটন অধিকার (৪০)। তিনি উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মুন্সিপাড়ার ৫নং ওয়ার্ডে মহিলা কলেজকেন্দ্রের বাইরে দুই কাউন্সিলরপ্রার্থী ও সমর্থকদের কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরপ্রার্থী নজরুল ইসলাম রয়েলের সমর্থক ছোটন অধিকার গুরুতর আহত হন। তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনী সহিংসতায় মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ এর আগে সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণে অনিয়ম, কর্মীদের পিটিয়ে ভাগানো ও প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্টের অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জাতীয় পার্টির (জাপা) মেয়র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম। আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে পৌর শহরে নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষণা দেন। সিদ্দিকুল আলম বলেন, ‘আমরা বিরোধী দলে আছি। সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা দিচ্ছি। অথচ এর ফলে সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে আমাদের কর্মীদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এ থেকে নারী কর্মীরাও বাদ যাননি। ৪১টি ভোটকেন্দ্র থেকে আমাদের পোলিং এজেন্ট ও কর্মীদের বের করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসন সরকারদলীয় কর্মীদের সহযোগিতা করেছে, তারা পক্ষপাতিত্ব করেছে। যদি একতরফা নির্বাচনই হবে, তাহলে কেন এই নির্বাচনী নাটক?’ এই নির্বাচনকে প্রহসন উল্লেখ করে পুনর্নির্বাচনেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দিকুল আলমের স্ত্রী ইয়াছমিন আলম, জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির সহছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল দিদারসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে গেছেন। কিন্তু বিশৃঙ্খলা দেখতে পাননি।’

সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এতে মেয়র পদে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে একজন ভোট বর্জনের ঘোষণা দিলেন। -ডেস্ক