(দিনাজপুর২৪.কম) গত কয়েক দিনে সিরিয়া থেকে কমপক্ষে ১২ বৃটিশ আইএস ব্রাইড বলে খ্যাত যুবতীকে আটক করেছে কুর্দি বাহিনী। এসব যুবতী এখন ধরা পড়ার পর তাদের নাম, পরিচয় আড়াল করে অন্য পরিচয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আটক যুবতীদের মধ্যে কমপক্ষে দু’জন শরণার্থী শিবিরে কথাবার্তা বলছেন শুধু আরবিতে। বৃহস্পতিবার সিরিয়ার সবচেয়ে বড় শরণর্থী শিবির আল হাওলে নেয়া হয়েছে তিনজন যুবতীকে। তারা নিজেদেরকে পরিচয় দিচ্ছেন সাফা, জয়নব ও সাফিয়া নামে। পশ্চিমা সমর্থিত সিরিয়ান ডিফেন্স ফোর্সের নিয়ন্ত্রণে থাকা সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির আল হাওল। এখানেই রয়েছেন বহুল আলোচিত শামীমা বেগম। ওই তিন যুবতী বিশাল ওই শরণার্থী শিবিরের ভিতরে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বিদেশী নারীরা যেখানে থাকেন সেখানে।

কুর্দি কর্মকর্তাদের কাছে তারা তাদের জাতীয়তা প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল।

এতে বলা হয়েছে, আরো কমপক্ষে দু’জন বৃটিশ যুবতী সন্তানসহ ওই শরণার্থী ক্যাম্পে আত্মগোপন করে আছেন। সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় ডেইলি মেইলের সাংবাদিক ইয়ান বিরেল’কে। তিনি বলেন, সেখানে আমাকে যাদের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো তারা সবাই উত্তর দিচ্ছিলেন আরবিতে। তাদের অনেকেই গাঢ় আরবি উচ্চারণ করছিলেন। তারা যে বৃটিশ এ কথা স্বীকার করেন নি।

ইয়ান বিরেল আরো লিখেছেন, ওই শরণার্থী শিবিরের ম্যানেজার ও অন্যান্য নারী বন্দি, যাদের সঙ্গে আমি তিন দিন সাক্ষাত করেছি, তারা বলেছেন, শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া হতে পারে একথা শুনে বৃটিশ জিহাদী যুবতীরা আতঙ্কিত। ওদিকে আটক করা আইএসের ৪৫টি দেশের পুরুষদেরকে পাঠানো হয়েছে জেলে। -ডেস্ক