রুবেল হোসেনের সেই দৌড়…. – ছবি : ক্রিকইনফো

(দিনাজপুর২৪.কম) ২০১১ সালের চট্টগ্রাম, ২০১৫ সালের অ্যাডিলেড, ২০১৯ সালে সেই গল্পের তৃতীয় পর্ব লেখা হবে কার্ডিফে? সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজ রাতে; কিন্তু তার আগে বলা যায় পরপর তিন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানের অপূর্ব সুযোগ আজ টাইগারদের সামনে। হ্যাটট্রিক করার সুবর্ণ সুযোগ মাশরাফি বাহিনীর সামনে।

২০১১ সালে চট্টগ্রামে রান তাড়ায় আবেগময় জয়। শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর শফিউল ইসলামের সেই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ। অ্যাডিলেইডেও ছিল চরম উত্তেজনা। রুবেল হোসেনের দুর্দান্ত ইয়র্কার, জিমি অ্যান্ডারসনকে বোল্ড করে হাতের আঙ্গুল উচুঁ করে সেই দৌড়….. এখনো দর্শকদের হৃদয়ে গেথে আছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে।

দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ফল অবশ্য ভিন্ন কথাই বলবে, সেখানে যোজন যোজন এগিয়ে ইংল্যান্ড। ২০ ম্যাচের ১৬টিই জিতেছে ইংলিশরা; কিন্তু বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের দাপট। ক্রিকেটের কুলীন দেশটির বিপক্ষে বাংলাদেশের চার ওয়ানডে জয়ের দুটিই এসেছে বিশ্বকাপে। ইংল্যান্ডের একমাত্র জয় ২০০৭ আসরে।

২০১১ বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ ২ উইকেটে। ২০১৫ বিশ্বকাপে অ্যাডিলেইডে জয় এসেছিল ১৫ রানে। ওই ম্যাচে হার ইংলিশদের ছিটকে দিয়েছিল বিশ্বকাপ থেকে। বাংলাদেশ উঠে গিয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনালে।

এবার আবার তাই ইংল্যান্ডকে সামনে পেয়ে উঠে এসেছে হ্যাটট্রিকের প্রসঙ্গ। যদিও পরিস্থিতি এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবারের ইংল্যান্ড অন্য এক দল, যারা বিশ্বকাপে শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার। ম্যাচের আগের দিন মাশরাফিও মনে করিয়ে দিয়েছেন সেকথা। ‘আগের দুই বিশ্বকাপের জয় এবার কোনো কাজে লাগবে না। ওই দুই ম্যাচে হারলেও তার প্রভাব থাকত না। নতুন ম্যাচ, দুই দলই প্রথম বল থেকে শুরু করবে। উভয় দলের জন্যই ভালো শুরু করা জরুরি।’

তবে একটা ব্যাপারে বাংলাদেশ দল আত্মবিশ্বাসী হতে পারে। এই কার্ডিফ মানেই যে বাংলাদেশের বীরত্বগাথা। এখানেই ২০০৫ সালে রিকি পন্টিং, ম্যাকগ্রা, গিলক্রিস্টদের হারিয়েছিল বাংলাদেশ। আবার ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এখানে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। সেটিও আবার ২৬৬ রান তাড় করে। -ডেস্ক