মো: নুরুন্নবী (দিনাজপুর২৪.কম) হিলি স্থলবন্দরে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছর (২০১৪-১৫) রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে মাত্র ৩০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থ বছর এ স্থলবন্দরটিতে রাজস্ব আহরণে ঘাটতির পরিমাণ ১২৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
বন্দর দিয়ে অধিক শুল্কযুক্ত  পন্যের আমদানি কমে যাওয়ার কারণে রাজস্ব আহরণে ধস নেমেছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তবে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বন্দর দিয়ে পন্য আমাদানিতে শুল্কায়নে জটিলতাসহ হয়রানির কারণে অধিক শুল্কযুক্ত পণ্যের আমদানি কমে গেছে।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যলায়ে সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩-১৪ অর্থবছর হিলি স্থলবন্দরে রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫৭ কোটি ৫৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।  এর বিপরীতে বছর শেষে আহরণ হয়েছিল ১৫৮ কোটি ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৫৬ কোটি ৮৮ লাখ ৬০হাজার টাকা। এর বিপরীতে আহরণ হয় ৩০ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
বাংলাহিলি কাস্টম সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর রেজা শাহিন এই প্রতিনিধিকে বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানিতে গাড়ির চাকা অনুযায়ী একাটি স্লাব নির্ধারণ করা হয়েছে, যা একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসাবে কাজ করছে। এ বন্দর দিয়ে পন্য আমদানিতে ব্যবসায়ীরা সব সময়ের মধ্যে আতঙ্কে থাকেন। তিনি অবিযোগ করেন, তল্লসির নামে গাড়ী আটক করে হয়রানি করা হয়, ফলের কার্টন খুলেও  পরীক্ষা করা হয়। এসব কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কমে গেছে।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার (এসি) মোঃসাইফুর রহমান গত অর্থবছর লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আহরণ কম। এর যেসব পণ্যের আমদানিতে অথিক শুল্ক আরোপ রয়েছে, সেগুলোর আমদানি কমেছে। ফলে রাজস্ব আহরণ কমে আসছে।