আকতার হোসেন বকুল (দিনাজপুর২৪.কম) চীনের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আসা যাওয়া পাসপোর্টযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে জোড়াতালি দিয়ে। র্থামোমিটারের মাধ্যমে পাশপোর্টধারী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কিছুটা সতর্কতামুলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এর বাইরে থেকে যাচ্ছে ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের শত শত চালক ও হেলপাররা। ফলে করোনা ভাইরাসটি ভারতীয় ট্রাক চালক, হেলপার ও পাশপোর্ট যাত্রীদের মাধ্যমে দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে চীন থেকে ভারত হয়ে এই বন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের এক জন ছাত্র। তিনি সুস্থ্য বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

চীনের পাশর্^বর্তী দেশ ভারত। একারণে প্রতিদিন এই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আসা যাওয়া করছেন ৬ শতাধিক পাসপোর্টযাত্রী। এদের অনেকে আবার ভারত হয়ে নেপাল ও ভুটান ভ্রমনেও যান। এছাড়া আমদানি পণ্য নিয়ে হিলিতে প্রবেশ করে দুই শতাধিক ভারতীয় ট্রাকও। সে অনুযায়ি আরও ৬ শতাধিক চালক ও হেলপার প্রবেশ করে থাকে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হিলি স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মেডিকেল টিম স্থাপন করা হয়েছে। শুধু থার্মোমিটার দিয়ে সন্দেহভাজন পাসপোর্টযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। কিন্তু ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা চালক ও হেলপারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একারণে তাদের মাধ্যমে ভাইরাসটি দেশে প্রবেশ করার আশঙ্কা রয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি একাধিক পাসপোর্টযাত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস নির্ণয়ে এখানে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা শুধু লোক দেখানো কারন এ ব্যবস্থায় সঠিক রোগ নির্ণয় সম্ভব নয়। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. সেকেন্দার আলী বলেন, এ পথে প্রতিদিন প্রায় ৪-৫’শ পাসপোর্ট যাত্রী পরাপারা হয় করোনা ভাইরাস নির্ণয়ে উন্নত ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে দেশের সবাই আমরা সুরক্ষায় থাকব। হিলি হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. নাজমুছ সাঈদ বলেন, হিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে আসা-যাওয়া পাসপোর্টযাত্রীদের আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে থার্মোমিটারের সাহায্যে শারীরিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছি।