(দিনাজপুর২৪.কম) মাদক ব্যবসার অভিলাসে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীকে সহযোগীদের মাধ্যমে শ্লীলতাহানী চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে মারধর হত্যার হুমকি ঘটনায় হরিপুর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলাসূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার টেংরিয়া (ঝাড়বাড়ী) ফইজুল হকের পুত্র মোঃ হোসেন আলী পেশায় সে মাদক ব্যবসায়ী। একই এলাকার অফিল উদ্দিনের কন্যা আঞ্জুয়ারার সাথে তার বিবাহ হওয়ার পর থেকে স্ত্রী তার স্বামীকে মাদক ব্যবসার ছাড়িয়ে দিয়ে অন্য কোন কর্মসংস্থানের জন্য তাগাদা দিতে থাকে। স্ত্রীর পাশাপাশি হোসেনকে তার শ্যালক হামিদুরও মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিতে যথেষ্ট অনুরোধ করতে থাকলে হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩০মার্চ ২০২০ ইং তারিখ তার মাদক ব্যবসায়ী হুসেন আলী তার ২০/২৫ জন মাদক বাহিনীর দলবল নিয়ে হামিদুর ও তার স্ত্রী রুনা পারভীনকে প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করে রুনাকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়।
এ ব্যাপারে হরিপুর থানায় গত ১ মার্চ ২০২০ ইং তারিখে একটি মামলা দায়ের হয় মামলা নং-৩৭। হামিদুর বাদী হয়ে হুসেন আলী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে মাদক ব্যবসায়ী হুসেন আলীর সাথে তার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা তার সংসার জীবন যাপন করার জন্য হুসেন আলীকে তালাক দিলে হুসেন আলী অন্যত্র আরেকটি বিবাহ করে। নতুন স্ত্রীসহ তার দীর্ঘদিনের পূর্বের মাদক ব্যবসা চালাতে থাকে। হুসেন আলী তার চলমান মাদক ব্যবসার একটি চালান (ফেন্সিডিল) তার সহযোগি জনৈক আবুল হোসেনের পুত্র রিপন ও মৃত মোবারকের পুত্র আকাশ এর মাধ্যমে আঞ্জুয়ার বাড়িতে তার অনুপস্থিতিতে কাপড়ের ব্যাগ রাখার জন্য অনুরোধ করলে আঞ্জুয়ারা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকার উপস্থিত প্রতিবেশীদের জানালে হোসেন আলী ক্ষিপ্ত হয়ে তার সহযোগি রিপন ও আকাশকে লেলিয়ে দিয়ে আঞ্জুয়ারার শ্লীলতাহানী ঘটায় ও বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে ফেন্সিডিল সহ পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত আঞ্জুয়ারা হরিপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে হরিপুর থানায় মামলার জন্য একটি এজাহার দাখিল করেন বলে জানা গেছে। আঞ্জুয়ারা নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ও হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জের আশু হস্তক্ষপ কামনা করছেন। -ডেস্ক রিপোর্ট