মো.নুরুজ্জামান (দিনাজপুর ২৪.কম) কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান লাবু এবং সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্সের সহসভাপতি শেখ সাজ্জাদ হোসেন সবুজসহ তিনজনকে র‌্যাব ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার ভোরে গাজীপুরের একটি রিসোর্ট থেকে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন সাজ্জাদ হোসেনের মা শাহিদা খাতুন ও স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জিনিয়া। এ সময় সাজ্জাদের বাবা শেখ তাইজাল হোসেন, ছেলে শেখ শাহেদ হোসেন ও মেয়ে সুমাইয়া শেখ উপস্থিত ছিলেন।

তবে র‌্যাব বলছে, স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই দুই নেতাসহ তিনজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তারা কিছু জানে না।

১৫ আগস্টে জাতীয় শোক দিবসের র‌্যালি শেষে আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়। ওই ঘটনায় করা মামলায় সাজ্জাদ হোসেন সবুজ প্রধান আসামি।

সংবাদ সম্মেলনে সবুজের মা শাহিদা খাতুন জানান, ভোর ৪টার দিকে গাজীপুরের ড্রিম স্কয়ার রিসোর্টের অপারেশন ম্যানেজার শিমুল আহমেদ মোবাইলে জানায়- র‌্যাব সদস্যরা শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে রিসোর্টে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানকার গার্ডদের তারা আটক করে এবং রিসোর্ট মালিক মনির হোসেনকে তার বাড়িতে থেকে আটক করে। পরে তাকে সাথে নিয়ে রিসোর্টের একটি রুম থেকে সাজ্জাদ হোসেন সবুজ ও তার সাথে থাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান লাবুকেও আটক করে র‌্যাব। পরে রিসোর্ট মালিক মনির হোসেনসহ আটক দুই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় র‌্যাব সদস্যরা।

সবুজের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জিনিয়া জানান, তার স্বামী কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি। স্বামীকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন, ‘সবুজ যদি প্রকৃতই দোষী হয় তবে তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যেদের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হোক। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই আকুতি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কমান্ডার মোসাদ্দেক ইবনে মুজিব দিনাজপুর ২৪.কমকে বলেন, ‘এ রকম কিছু আমাদের জানা নেই। অনেকেই আমাদের কাছে বিষয়টি জানার জন্য ফোন দিচ্ছে। জানতে পারলে আপনাদের জানাব।’