স্টাফ রিপোর্টার এম.এ.সালাম (দিনাজপুর২৪.কম) করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ইতোমধ্যে দেশের বিমানবন্দর গুলোতে কড়া সতর্কতা অভলম্ব করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু স্থলবন্দরে এ বিষয়ে সতর্কতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই এই চেকপোষ্ট দিয়ে প্রতিদিন ভারত, নেপাল, ভুটান সহ অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন শত শত যাত্রী। ফলে এই অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, সরকার ইতোমধ্যে বাংলাদেশের স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। হিলি স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যন্ত্রপাতি বসানো হয়নি বলে যাত্রীােদর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে না।
ভারত থেকে দেশে আসা বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, চীনে রহস্যজনক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ভারত নেপাল ও ভুটানে। অনেক বাংলাদেশি হিলি চেকপোষ্ট ব্যবহার করে ভারত হয়ে ভারত হয়ে নেপাল ও ভুটানে ঘুরতে যাচ্ছে। তাই হিলি চেকপোষ্টে সতর্কতামুলক ব্যবস্থা নেয়া দরকার। এ বিষয়ে হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রতাপ নন্দী জানান, হিলি চেকপোষ্টের গুরুত্ব ভেবে বিষয়টি ইতোমধ্যে দিনাজপুর সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে স্¦াস্থ্য বিভাগ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি। দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস কুদ্দুছের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।
নির্দেশনা পেলে হিলি চেকপোষ্ট মেডিকেল টিম গঠন করে থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে যাত্রীদের শারীরিক স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) করা হবে। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে চীন থেকে আসা যাত্রীদের স্কিনিংএ- এ ধরনের কোন নমুনা পাওয়া যায়নি। এ জন্য আমরা এখনও স্বস্তিতে আছি। তিনি আরো জানান, করোনা ভাইরাস শ্বাসতন্ত্র রোধ প্রধান লক্ষণ, জ্বর। এর সঙ্গে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা উপসর্গ থাকে। এই ভারইরাসের সঙ্গে প্রাণঘাতী রোগ সিভিয়ার অ্যাকুইট রেসপিরেটরি সিনড্রোমের (সার্স) শ্বাসতন্ত্রের অসুধ হাচি-কাশি, একজন থেকে অপর জনের সংক্রমিত হতে পারে। এ ভাইরাস যাদি একজন থেকে অপরজনের মধ্যে ছাড়ায় তাহলে অতি দ্রুত সংক্রমনের আশঙ্কা রয়েছে। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টের ওসি মো. রফিকুজ্জামান জানান, প্রতিদিন এই চেকপোষ্ট দিয়ে ৩ শতাধিক বৈধ যাত্রী বাংলাদেশ ও ভারতে যাওয়া আসা করেন। এদের অনেকে ভারত হয়ে নেপাল ও ভুটানেও ঘুরতে যান। এসব দেশ আবার চীনের পার্শ্ববর্তী চীনে করেনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই ভাইরাস প্রতিরোধে হিলি চেকপোষ্টে এখনো পর্যন্ত মেডিকেল টিম স্থাপন করা হয়নি।