(দিনাজপুর২৪.কম) স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির ১১টি উৎস চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব দুর্নীতি প্রতিরোধে ২৫ দফা সুপারিশও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের হাতে তুলে দেন দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক খান।  স্বাস্থ্য খাতে চিহ্নিত দুর্নীতির ১১টি উৎসের মধ্যে রয়েছে, ক্রয়, সেবা, নিয়োগ, বদলি, পদায়ন, ইকুইপমেন্ট ব্যবহার, ওষুধ সরবরাহ। কমিশনার মোজাম্মেল হক খান বলেন, আজকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে একটি প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছি। এ রিপোর্টের মধ্যে আমাদের টিম শনাক্ত করেছে কোন কোন ক্ষেত্রে দুর্নীতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে সে বিষয়গুলো। সে সম্ভাবনাগুলো কীভাবে দূর করা যায় সেই বিষয়ে কতিপয় সুপারিশ। তিনি বলেন, এখানে ১১টি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে আমরা মনে করেছি যেখানে দুর্নীতির ক্ষেত্র রয়েছে। সেগুলো স্বাভাবিক রাখার জন্য ২৫টি সুপারিশ করা হয়েছে। সেই পরামর্শগুলো যদি মন্ত্রণালয় থেকে গ্রহণ করা হয় তবে নিঃসন্দেহে দুর্নীতি প্রতিরোধমূলক কাজে ভালো ফল দেবে। কমিশনার বলেন, যদি দুর্নীতি মোকোবেলা করতে না পারি তবে আমাদের এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রতিবেদন তৈরির কাজ শুরু হয় ২০০৮ থেকে। ২০১৭ সালে ২৫টি টিম গঠন করেছি বিভিন্ন বিভাগকে মূল্যায়নের জন্য।

প্রতিবেদনের সুপারিশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে দুদক কমিশনার বলেন, আমরা বাইরে থেকে দেখি অনেক মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়ন নীতিমালা থাকে না। অনেক মন্ত্রণালয়ের মতো এখানেও পদায়ন নীতিমালা নেই। পদায়নের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি যাতে দীর্ঘকাল অবস্থান করতে না পারে। এভাবে থাকলে একটি সংঘবদ্ধ দল তৈরি হয়ে যায়। এটা যাতে না করা হয়। সঠিক স্থানে সঠিক ব্যক্তিকে যাতে পদায়ন করা হয়, সেই সুপারিশ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেদনে কী আছে তা স্টাডি করে দেখব। এটুকু বলতে পারি আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত হবে। এলিগেশন যেগুলো আছে, দুর্নাম যেগুলো আছে ইনশআল্লাহ আগামীতে ঘুচাব। -ডেস্ক