(দিনাজপুর২৪.কম) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ ম্যাচে তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে তারা। এ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল মাহমুদউল্লাহর চট্টগ্রাম।সিলেটের দেওয়া ১৩০ রানের মামুলি টার্গেটকেও কঠিন বানিয়ে ফেলে চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরা। স্কোরবোর্ডে ৫৬ রান তুলতেই চার উইকেট হারায় তারা। এ দিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন ইমরুল কায়েস ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ দুইজন করেন যথাক্রমে ৬ ও ২ রান। এছাড়া আভিস্কা ফার্নান্দো ৫ ও চ্যাডউইক ওয়ালটন ৯ রান করে আউট হন। বাকিদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একা লড়াই করেন লেন্ডল সিমন্স। তবে নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ১৮ রানের জুটি গড়ে আউট হন তিনিও। দলীয় ৮৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে তিনি খেলেন ৩৭ বলে ৪৪ রানের ইনিংস। এরপর মুক্তার আলী শূন্য রান করে ফিরে গেলে হারের শঙ্কায় পড়ে চট্টগ্রাম। তবে দলের বিপর্যয়ে এ দিন দারুণ ব্যাটিং করেন সোহান। কেসরিক উইলিয়ামসকে নিয়ে গড়ে তোলেন ম্যাচজয়ী ৫৫ রানের জুটি। ২৪ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। এ রান করতে তিনি হাঁকান ২টি চার ও ৩টি ছক্কা। এছাড়া ২ ছক্কা ও ১ চারে ১৭ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামস। সিলেটে সান্তোকি শিকার করেন তিন উইকেট। এ নিয়ে চার ম্যাচের চারটিতেই হারল সিলেট।

এর আগে, টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই সিলেটের দুই উইকেট তুলে দলকে ভালো শুরু এনে দেন রুবেল ও রানা। রনি তালুকদার ২ ও শফিকুল্লাহ শফিক ৬ রান করে আউট হন।এরপর ভয়ঙ্কর হতে যাওয়া আন্দ্রে ফ্লেচারকে দলীয় ৬২ রানে সরাসরি বোল্ড আউট করে সিলেট শিবিরে তৃতীয় আঘাত হানেন মুক্তার আলী। আউট হওয়ার আগে ফ্লেচার ইনিংস সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৩৮ রান করেন। মোহাম্মদ মিথুনও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। ১২তম ওভারে রানার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ১৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একই ওভারে উইন্ডিজ ক্রিকেটার জনসন চার্লসকে রানের খাতা খোলার আগেই আউট করেন রানা। দলীয় ৬৯ রানে রানার জোড়া আঘাতে চাপে পড়ে সিলেট। এরপর ১০৯ রানের মাথায় নাঈম হাসানকে ফেরান রুবেল। এক প্রান্তে মোসাদ্দেক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তার ৩০ রানের ওপর ভর করে ১২৯ রানের পুঁজি পায় সিলেট।সিলেটের আট উইকেটের সাতটিই শিকার করেছেন দেশি বোলাররা। এরমধ্যে মেহেদি হাসান রানা একাই শিকার করেন ৪ উইকেট। এছাড়া রুবেল দুটি ও মুক্তার আলী একটি উইকেট শিকার করেন। নাসুম আহমেদ কোনো উইকেট না পেলেও চার ওভার বল করে একটি মেডেনসহ মাত্র ১৭ রান দেন। -ডেস্ক