bashe khabar-dinajpur24মোঃ জাকির হোসেন, (দিনাজপুর২৪.কম) সৈয়দপুর উপজেলায় ছোট বড় বাজার গুলোতে এবং আনাচে কানাচে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ছোট বড় অনেক হোটেল ও বেকারি এসব বেকারি ও হোটেল গুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে হরেক রকমের সুস্বাদু খাবার। এ খাবার খেয়ে কোমলমতি শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ খাবার তৈরি করতে তারা ব্যবহার করছে নানা রকম রাসায়নিক দ্রব্য যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বেকারি গুলো হলো যমুনা ব্রেড, ডায়মন্ড বেকারি, উজালা বেকারি, সোনালী বেকারি, গাউসিয়া বেকারি, সোহেল রানা বেকারি, আরমান বেকারি, আনমল ফুড প্রোডাক্টস, ম্যারাডোনা বেকারি এবং হোটেল গুলোর মধ্যে হলো নাটোর দই ঘর, দিলকুশা হোটেল, পাহেলওয়ান হোটেল, নিউ বনফুল হোটেল, জি.আর.পি ক্যান্টিন, আল সামস্ হোটেল, মদিনা হোটেল, শাহজালাল হোটেল, আক্তার হোটেল, বিজলীর মোড়ের গুলজার হোটেল, বিজলী হোটেল সহ আরো অনেক এসব হোটেল গুলোতে পরিবেশিত হচ্ছে বাসী পচাঁ নিম্ন মানের অনেক খাবার এবং পরিষ্কার পরিচ্ছনতার অভাব সেই সাথে দেখা যায় শিশু শ্রমিকের ব্যবহার বৈধভাবে একটা বেকারী চালতে গেলে দরকার হয় ট্রেড লাইসেন্স বি.এস.টি.আই অনুমোদিত লাইসেন্স, প্রিমিসেম লাইসেন্স এবং সরকার বিধি নিষেধ সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বেশির ভাগ হোটেল বেকারির নেই সরকারি বৈধ কোন কাগজপত্র, বি.এস.টি আই অনুমোদন ছাড়াই রকমারী খাবারের মোড়কে বিএসটিআই অনুমোদন এবং উৎপাদন তারিখ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ছাড়া দেদারসে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক হোটেল ও বেকারি মালিক তাছাড়া খাবারের মান নির্ধারন করে এবং শর্ত সাপেক্ষে দেওয়া হয় বিএসটিআই অনুমোদন। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকেই বিএসটিআই লাইসেন্স পাওয়ার দরখাস্ত করে দরখাস্তের উপর ভিত্তি করে বিএসটিআই থেকে সিরিয়াল নাম্বার দেওয়া হয়। লাইসেন্স পাওয়ার আগেই এই সিরিয়াল নাম্বার পেয়ে খাবারের মোড়কে বিএসটিআই অনুমোদিত সিল ব্যবহার করে খাবার বাজারজাত করছে অনেক বেকারি মালিক। শুধু বিএসটিআই নয সরকারি আসল কোনো কাগজ পত্রের প্রয়োজন মনে করে না অনেকেই। যত্রতত্র নোংরা পরিবেশে বেকারি গুলোতে তৈরি হচ্ছে কেক, পাউরুটি, বিস্কুট, টোস্ট সহ নানা রকমের খাবারের ট্রে গুলোতে যখন সাজিয়ে রাখা হয় তখন দেখা গেছে সাজিয়ে রাখা হয় তখন দেখা গেছে মাছি সহ বিভিন্ন প্রকারে পোকা মাকড় ভনভন করে উড়ছে আবার কিছু খাবারের উপর জেকে বসছে। নোংরা ও স্যাত স্যাতে মাটির উপর ফেলেই তা আবার প্যাকেট করা হচ্ছে। খাবারের রং ও কেক পাউরুটির প্রসারতা বাড়াতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ক্যামিক্যাল ও রাসায়নিক দ্রব্য। অস্বাস্থ্যকর ও সুগন্ধি কেক ও বিস্কুট তৈরিতে যে রাসায়নিক দ্রব্য অ্যামোনিয়া বাই কার্বোনেট ব্যবহার করা হয় তা মানব দেহের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকারক। অভিযোগ রয়েছে স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ওয়াহেদুল হকের যোগ সাজস রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ অভিযান পরিচালনা বন্ধ আছে। জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের রংপুর বিভাগীয় শাখার সভাপতি প্রকৌশলী আব্দুল খালেক বলেন দায়িত্বরত কর্তারা দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই সৈয়দপুরে ভেজাল প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।