(দিনাজপুর২৪.কম) শেষ মুহূর্তে কেনাকাটায় জমে উঠেছে নীলফামারীর সৈয়দপুরে কোরবানির পশুর বাজার। বড় বড় হাটবাজার ছাড়াও গ্রামের ছোট্ট হাটগুলোতে বেচাবিক্রি জমে উঠেছে। তবে গেলবছরের চেয়ে এবারে কোরবানির পশুর বাজার চড়া বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। অপরদিকে মাত্র কয়েকদিনের সব ধরণের মসলার বাজারে তেজিভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিক্রেতারা দুর-দুরান্ত থেকে ট্রাকে করে গরু এনে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন। আর গরুর মালিক ও দালালরাও এসব হাটবাজারে গরু তুলছেন। ফলে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। মাঝেমধ্যে বৈরী আবহাওয়া বাগড়া দিলেও পশু কেনাবেচায় কোন ভাটা পড়ছে না। অবস্থাপন্ন লোকেরা এককভাবে আর নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন ভাগে পশু কোরবানির কথা চিন্তা করে হাটে আসছেন। এখানে একটি মাঝারি সাইজের গরু যার ওজন ৮৫ থেকে ৯০ কেজি এধরণের গরু বিক্রি হচ্ছে ৩০/৩৫ হাজার টাকায়। তবে কোরবানি দেয়ার মতো দাঁতওয়ালা গরু ২০ হাজারের নিচে নেই।
কৃত্রিমভাবে মোটা তাজাকরণ গরুর চাহিদা নেই বললেই চলে। দেশি গরুর চাহিদা বেশি হাটে। গরু বাছাই করতে কোন কোন ক্রেতা পশু ডাক্তারকেও সাথে আনছেন। ক্রেতা- বিক্রেতা আর দর্শনার্থীদের ভিড়ে পশুর প্রতিটি হাটবাজার সরগরম হয়ে উঠেছে। হাতে সময় কম তাই দাম যাই হোক ক্রেতারা পশু কিনছেন। গরুর মালিকরা যেহেতু গোয়াল ঘরে রেখে গরু লালন-পালন করেছেন সেহেতু পশুর দামও আঁকড়ে ধরে আছেন। সবমিলে শেষ মুহূর্তে পশুর কেনাবেচা জমে উঠেছে।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় বিভিন্ন মসলায় ছেয়ে গেছে সৈয়দপুরের মসলাপট্টি। এখানকার ব্যবসায়ীরা ঈদকে সামনে রেখে  বিশাল মজুদ গড়ে তুলেছেন চোরা পথে আসা মসলার। এসব ব্যবসায়ীরা ১ কেজি জিরার প্যাকেট ১শ’ ৮০ থেকে ১শ’ ৯০ টাকায় কিনে ৩শ’ থেকে ৩শ’ ১০টাকায়, ছোট এলাচ ৯শ’ ৫০ টাকায় কিনে ১ হাজার ১শ’ টাকায়, বড় এলাচ ২ হাজার কিনে ২ হাজার ২শ’ টাকায়, লং ১ হাজার ১শ’ টাকায় কিনে ১ হাজার ৩শ’ টাকায়, দারুচিনি ২শ’ ২০ টাকায় কিনে ২শ’ ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত দাম বাড়িয়ে বিক্রি করে মুনাফা করছেন। মাংস রান্নার অন্যতম অনুসংগ পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৭৫ টাকা রসুন ৯০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১শ’ ২০ টাকায় আর আদা ১৫০ টাকায় উঠেছে। -মো. জাকির হোসেন