নুর আলম সিদ্দিক (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর জেলায় সেতাবগঞ্জ চিনিকলে ৭ হাজার ৭৩০ মে. টন চিনি অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ২৯ কোটি টাকারও বেশী।
কেন এই অবস্থা? এ প্রশ্নের উত্তরে সেতাবগঞ্জ চিনিকলের এম ডি মো. শহিদুল্লাহ বলেন, বেসরকারি চিনিকলের চিনির মূল্যের চেয়ে সরকারি চিনি কলে চিনির মূল্য বেশি হওয়ায় চিনির ডিলারেরা সরকারি চিনিকলের চিনি উত্তোলণের আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে অবিক্রিত চিনির স্তুপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তিনি আরো বলেন, চিনি বিক্রি না হওয়ায় এই চিনিকলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এপ্রিল এবং মে এই ২ মাসের বেতন বাকি পড়ে আছে। যার পরিমাণ ২ কোটি টাকারও বেশী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেসরকারী চিনি কলগুলোর উপর বর্ধিত হারে ভ্যাট, ইত্যাদি আরোপ করে তাদের উৎপাদিত চিনির বাজার দর বাড়াতে পারলে তবেই সরকারি চিনি কলগুলোর অচলাবন্থা সুরাহা হতে পারে। নচেৎ সরকারি চিনিকলের উৎপাদিত চিনির দিন দিন স্তুপ আরো বেড়েই যাবে। এতে চিনি কলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিড়ম্বনা থেকেই যাবে।

দিনাজপুর২৪.কম/নুর আলম সিদ্দিক/