(দিনাজপুর২৪.কম) ২৪ সপ্তাহ না পার হতেই জন্ম হয় শিশুটির। এসময় তার ওজন ছিল মাত্র ২৬৮ গ্রাম।এত কম ওজন হওয়ায় শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বলে একরকম ধরে নিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।তবু তাদের চিকিৎসা ও যত্নে সেই শিশুটি এখন সুস্থ। ওজন বেড়ে হয়েছে ৩.২ কেজি। ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাইরের জগতের আলো দেখেছে সে।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের আগস্টে জন্ম জাপানের টোকিও কিয়ো ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ২৪ সপ্তাহের মাথায় জন্ম হয় ওই শিশুর। গত সপ্তাহে হাসপাতাল ছেড়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরেছে শিশুটি ।শিশুটির চিকিৎসক ড. টাকেশি আরিমিতসু বলেন, এ পর্যন্ত জন্মানো সবচেয়ে ক্ষুদ্রকায় ছেলে নবজাতক ছিল সে। এর আগের রেকর্ডটি রয়েছে একটি মেয়ে নবজাতকের।২০১৫ সালে মাত্র ২৫২ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম হয়েছিল ওই মেয়ে নবজাতকের।এ বিষয়ে কিয়ো ইউনিভার্সিটি বলছে, জাপানে ৩০০ গ্রামের কম ওজনের নবজাতকের ক্ষেত্রে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশেরও কম। সেক্ষেত্রে মেয়ে শিশুর চাইতে ছেলে শিশুর বেঁচে থাকার হার আরও কম।তাই এত কম ওজনে জন্ম নিয়ে শিশুটির বেঁচে থাকাবে একরকম বিস্ময় হিসেবে দেখছেন তারা।-ডেস্ক