(দিনাজপুর ২৪.কম) অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমি প্রথমেই এই পদ্ধতির পক্ষে ছিলাম না। আপনাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে আমার ধারণা সঠিক ছিল। তবে আবারও এই বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।’
আজ মঙ্গলবার সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও পদবঞ্চিত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সভা কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পদবঞ্চিত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস সমন্বয় কমিটি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় পদবঞ্চিতরা মন্ত্রীর কাছে নিজেদের ক্ষোভ ও বিভিন্ন সমস্যার কথা উপস্থাপন করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড এক সঙ্গে দুটি রাখার পক্ষে না। এর মধ্যে যেকোনো একটি বাদ দেবো। এই ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার ভালো ধারণা নেই।’
বৈঠকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস সমন্বয় কমিটি একই সঙ্গে প্রস্তাবিত বেতনস্কেলে পূর্বের মত সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বহালের দাবি জানায়। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল রাখলে প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্যান্য ক্যাডার ও সকলস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিজস্ব ক্যাডার তফসিলের নির্ধারণ পদের বাইরে গিয়ে সরকারের বিশেষ পদ হিসেবে চিহ্নিত উপসচিব পদ দেয়া হয়। অন্যদিকে পদ না থাকার অজুহাতে ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তা ও অন্যান্য ক্যাডারদের একই পদে বছরের পর বছর বসিয়ে রাখা হয়েছে। টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের কারণে এই বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার অন্যান্য কর্মকর্তারা  যেনো কার লোন পায় সেই বিষয়টিও মন্ত্রীকে বিবেচনা করতে বলেন।
এরপরই অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সব কিছুই বিবেচনা করে দেখা হবে।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস সমন্বয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির আহমেদ ভূইয়া ও মহাসচিব ফিরোজ খান।(ডেস্ক)