(দিনাজপুর২৪.কম) সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক এন্ড দ্য লেভান্ট (আইএসআইএল বা আইএস) এর যোদ্দাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে ইরাক। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এক ঘোষণায় এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরাকের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেললে তার দেশ আইএস’র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
খবরে বলা হয়, সিরীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে যৌথভাবে আইএস যোদ্ধাদের ওপরে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে ইরাক। আল আবাদি’র কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহ¯পতিবার সিরিয়ার সীমান্তে প্রবেশ করেছে দুটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। বিবৃতিতে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ, হায়দার আল-আবাদির নির্দেশ অনুসারে, আমাদের সাহসী বিমান বাহিনী বৃহস্পতিবার সিরিয়ার ইরাক সংলগ্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আইএস এর বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতি অনুসারে, আইএস এর হুমকি মোকাবেলা করতে এই হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া, এই হামলা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ইরাকি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার প্রতিফলন। ইরাকের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র অনুসারে, পুরো অভিযানটি সিরীয় সেনবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে চালানো হয়েছে। আল আবাদি, গত বছর কুর্দি পেশমার্গা ও শিয়া-সংখ্যাগরিষ্ঠ আধা-সামরিক বাহিনী নিয়ে গঠিত জোটের সহায়তায় আনুষ্ঠানিকভাবে, ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে জয় ঘোষণা করেন। তৎকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক জোটের কাছ থেকে বিমান ও স্থল অভিযানেও সহায়তা পেয়েছে ইরাক। কিন্তু এখনো দেশটির সিরিয়া সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে আইএস এর হুমকি রয়েছে। তারা প্রতিনয়ত সীমান্ত অতিক্রম করে ইরাকজুড়ে গোপন ও বোমা হামলা চালিয়ে থাকে।
বৃহ¯পতিবার হামলা চালানোর আগে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক এর দক্ষিণে অবস্থিত একটি ঘাটি থেকে আইএস যোদ্ধাদের সরে যাওয়ার জন্য ৪৮ ঘন্টা সময় দেয়া হয়। প্যালেস্টেনিয়ান ইয়ারমুক শরণার্থী শিবির সংলগ্ন এই এলাকাটি প্রায় তিন বছর ধরে আইএস যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। -ডেস্ক