(দিনাজপুর২৪.কম) যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সে. মি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিপদ সিমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে, ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন চৌহালী উপজেলা রক্ষা বাধে ৬ষ্ঠ বারের মতো ধস দেখা দিয়েছে। নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি, চৌহালি, কাজিপুর ও শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলের ২৭ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় মানুষজন উচু বাধ বা বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে  আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বালির বস্তা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। যে কোন পরিস্থিতি  মোকাবেলার জন্য তাঁরা প্রস্তুত রয়েছেন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সুত্রে জানা গেছে, পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুদ আছে চাহিদা পাওয়া মাত্রই ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করা হবে।
অপরদিকে, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নির্মানাধীন চৌাহালী উপজেলা রক্ষা বাধে ৬ষ্ঠ বারের মতো ধস দেখা দিয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার খাস কাউলিয়া এলাকার বাধের ৬০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বলেন, বার বার ধসের কারনে ইতিমধ্যেই বুয়েটের দুজন বিশেষজ্ঞ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুজন উর্দ্ধতন কর্মকতার সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ধস এলাকা পরিদর্শন করে আগামী কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারন করবেন। তিনি দাবী করেন, এই এলাকার মাটির ধারন ক্ষমতা কম। যে কারনে বার বার ধসের কবলে পড়ছে বাধ। পাশাপাশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে পানির তলদেশে র্ঘর্ণাবর্তের সুষ্টি হচ্ছে। ধসের এটিও একটি কারন। তবে এতে আতংকিত হবার কিছু নেই। বার বার এই ধসের জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের গাফিলতিকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবী, সরকার চৌহালী রক্ষায় শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও অসাধু কিছু মানুষের জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না। -ডেস্ক