(দিনাজপুর২৪.কম) ঢাকা-উত্তরাঞ্চল মহাসড়কে সেই আগের দৃশ্য। তীব্র যানজটে নাকাল ঈদে ঘরমুখো মানুষ। থেমে থেমে  চলছে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে বহন করা বাস, কোচ ও অন্যান্য যানবাহন। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘন্টাও আটকে থাকছে গাড়ি।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক নামের এক সংবাদকর্মী মঙ্গলবার সকালে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘৩ জুন সন্ধা ৬টায় মহাখালী থেকেও রওনা। ৪ জুন ভোর ৫টায় সিরাজগঞ্জে অবতরণ। ভাড়া ২৫০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা।

সোহেল রানা নামের এক টিভি রিপোর্টার মঙ্গলবার সকালে  তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে লিখেছেন, ‘ গতকাল সন্ধা ৬.৩০ টায় রওনা দিলেও ১৩ ঘণ্টা হয়ে গেল এখনো সেতু পশ্চিমে (বঙ্গবন্ধু সেতু) আটকে আছি। অথচ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের পথ মাত্র সাড়ে ৩ ঘণ্টার।’

আয়নাল হক নামের এক দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক। ঢাকা-উত্তরাঞ্চল রুটে প্রাইভেটকারে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। তিনি মঙ্গলবার সকালে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘ঘোষণা ছিল ঈদের তিন দিন আগে হতে কোন ট্রাক চলবে না। অথচ আজ ৪ জুন টাংগাইল নাটিয়া পাড়া হতে যমুনা সেতু পর্যন্ত শুধু ট্রাক আর ট্রাকের জ্যামে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই । কাহাকেও বলার মত কিছু নেই বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী অসহায় যাত্রীরা।’

নাজমুল ইসলাম নামে একজন মঙ্গলবার সকালে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, ‘ঢাকা থেকে মির্জাপুরে ২ ঘণ্টায়। কিন্তু  ৪ ঘণ্টা ধরে গাড়ির আর নড়চড় নেই।’

জানা গেছে, ঢাকা-উত্তরাঞ্চল মহাসড়কে সোমবার থেকে তীব্রযানজটে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ। একই জায়য়গায় গাড়ি থেমে থাকছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ৩ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে ৮-১০ ঘণ্টা।  এর উপর বৃষ্টি ভোগান্তিম বাড়িয়ে দিয়েছে। ভোগান্তিতে অতীষ্ট হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা। অন্যদিকে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া তো গুণতেই হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার যানজট রয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ নিরলস কাজ করছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই যানচলাচল স্বাভাবিক হবে। -ডেস্ক