(দিনাজপুর২৪.কম) ট্রাম্পের মতো, সম্ভবত তাদের প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যবহারকারীর, অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে টুইটার, ফেসবুক জানিয়ে দিল, কারা, কীভাবে তাদের প্ল্যাটফর্মে মত প্রকাশ করতে পারবে৷ আমরা তা হতে দিতে পারিনা, বলছেন ডিডাব্লিউর প্রধান সম্পাদক মানুয়েলা কাসপার-ক্ল্যারিজ।

টুইটারে ট্রাম্পের আট কোটি ৮০ লাখ অনুসারী এবং ফেসবুকের তিন কোটি ৫০ লাখ অনুসারী এখন থেকে আর ট্রাম্পের কোনো বিবৃতির দেখা পাবেন না৷ ট্রাম্পের বিবৃতি অনেকসময় বর্ণবাদী ও বিপজ্জনক ছিল৷

বিরোধী পক্ষের সঙ্গে লড়তে এই অ্যাকাউন্টগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতেন ট্রাম্প৷ হেট স্পিচ আর ভুয়া খবর ছিল এসবের ট্রেডমার্ক৷ তার টুইটের কারণে কী হতে পারে, তা সম্প্রতি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় দেখা গেছে৷

অবশেষে অনেকের মতো আমিও হাফ ছেড়েছিলাম৷ কিন্তু মাত্র কিছুক্ষণের জন্য৷ কারণ আপনি বাকস্বাধীনতা চাইলে সেই বাকস্বাধীনতা যতই অপ্রিয়, বিরক্তিকর হোক না কেন, আপনাকে তা মেনে নিতে হবে৷ এটা ভেবে আমি শঙ্কিত হচ্ছি যে, অল্পসংখ্যক ব্যক্তি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে৷

একটা বিষয় আগে স্পষ্ট হওয়া দরকার: আমরা হেট স্পিচ আর ভুয়া খবর নিয়ে কথা বলছি না৷ এগুলো খুঁজে বের করে লেবেল লাগিয়ে দিতে হবে, কিংবা মুছে ফেলতে হবে৷ এটা প্ল্যাটফর্ম অপারেটরদের কাজ, যা তারা অনিচ্ছা নিয়ে কয়েক মাস আগে শুরু করেছে৷

গতবছর মে মাসে প্রথম টুইটার ট্রাম্পের দুটি টুইট সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে দিয়েছিল৷ এরপর আরও অনেক টুইটে লেবেল লাগানো হয়েছে, এমনকি মুছেও দেয়া হয়েছে৷ ফলে ব্যবহারকারীরা জানতে পেরেছেন, ট্রাম্পের কিছু টুইট কতটা অগুরুত্বপূর্ণ ও বিপজ্জনক ছিল৷ সেটা ভাল ছিল।