আজিম (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দেহব্যবসা ও মাদক ব্যবসা প্রকাশ্যে করে আসছে মিস্ত্রিপাড়ার মাসুদ। আর এই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লিটন হোসেন আকাশ লাঞ্ছিত হয়েছেন। মাদক ব্যবসায়ী মাসুদ সাংবাদিক আকাশকে বলে আমি উপর মহলকে টাকা পয়সা দিয়ে ব্যবসা করি। আপনি নিউজ করতে আসছেন আপনার সাহসতো কম না। এখান থেকে চলে যান নাহলে কপালে আরো খারাবি আছে। পরে কিছুক্ষনের মধ্যেই ১০/১২ জন মাসুদের গুন্ডা বাহিনী সাংবাদিক আকাশকে ঘিরে ফেলে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সাংবাদিক লিটন হোসেন আকাশ সেখান থেকে চলে আসে।
জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বসির উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধার সাইনবোর্ড টানিয়ে তার নিজ বসত বাড়ীটি মাদক ও দেহ ব্যবসার জন্য নিরাপদ স্থানে পরিনত হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, শহরের খোদমাধবপুর মিস্ত্রিপাড়া এলাকার একাধিক মাদক মামলার আসামী মাসুদ’র মাদক ও দেহ ব্যবসা চলাকালীন খরিদদারের মোটর সাইকেল আটক করলে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে বসির উদ্দিনের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী মাসুদ ও তার ভাই স্টেপ বাবু, মাসুদ’র স্ত্রী শিউলি বেগম, নিশাত’র স্ত্রী রিনা বেগম ও তার মেয়ে টুম্পা। মাসুদের স্ত্রী শিউলি ও ভাগনী টুম্পা তসলিম উদ্দিনের বাড়ীতে প্রবেশ করে স্ত্রী মাহফুজা বেগমকে দেশীয় অস্ত্র রড, ছুরি হাসুয়া দিয়ে এলোপাথারী মারধর করতে থাকলে এলাকাবাসী তার প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত এই সন্ত্রাসী বাহিনী তাকেও ছার দেয়নি। রড দিয়ে হাতে বাড়ী মারধর ও অখত্র ভাষায় গালিগালাজে পরিবেশ বেগবান হওয়ায় দিনাজপুর কোতয়ালীর একটি টহল রত পুলিশ পিকআপ ঘটনাস্থলে গিয়ে শাভাবিক নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে এলাকাবাসীর ক্ষোভে প্রকাশ পায়, মাসুদ ও তার পরিবার মাদক ব্যবসায় চালাতে সহযোগীতা করে তার বড় ভাই নুরুল ইসলাম। তিনি চিৎকার করে বলেন, পুলিশ আশে কি করবে প্রতি মাসে তাদেরকে হাদিয়া দেওয়া হয়। এ কথার প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়ায় এই মাদক ও দেহ ব্যবসা বন্ধের দাবীতে গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ নিয়ে প্রশাসেনর দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এলাকাবাসী।
তসলিম উদ্দিনের স্ত্রী মাহফুজা বেগম’র শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এব্যাপারে তসলিম উদ্দিন নিজে বাদী হয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।