(দিনাজপুর২৪.কম) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রাজনীতির কিছু নেই। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলনকেন্দ্রে ‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ ২০১৮’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সুরক্ষা সেবা বিভাগ) ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেসব গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটছে, তার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। ‘বেগম খালেদা জিয়া আদালতে যাওয়া-আসার সময় যা হয়, তা সারাদেশ দেখেছে। ২০১৪ সালে যেভাবে পুলিশ হত্যার চেষ্টা হয়েছিল, একইভাবে সেদিন পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। পুলিশের রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, রাইফেল ভাঙা হয়েছে। তাদেরই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন তো অনেক দূরে এখনও। বিএনপিকে হয়রানি নয়, সন্ত্রাসীদের ধরা হচ্ছে। বিগত নির্বাচনের পর রাজশাহীতে যে কায়দায় পুলিশের অস্ত্র ভেঙে ফেলা হয়েছিল এবং ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল তেমনটাই ওইদিন রাজধানীতে ঘটেছে। ‘আপনারাও দেখেছেন বিএনপি নেত্রী আদালতে যাওয়া আসা করার সময় কেমন অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে।’

পাসপোর্ট সেবা প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু রয়েছে। আমরাও বাংলাদেশে দ্রুত এ সেবা চালু করবো। ‘এর মাধ্যমে পৃথিবীর উন্নত একটি পাসপোর্ট নাগরিকদদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। সেই পাসপোর্টে একটি চিপ লাগানো থাকবে, যাতে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য থাকবে।’

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাসপোর্ট সেবা সহজ করা হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের অবকাঠামো নির্মাণসহ নানা প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল দেশে ডিজিটাল পাসপোর্ট সেবা নাগরিকদের দেয়া হচ্ছে।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বলেন, দেশের সব নাগরিকের হাতে যখন স্মার্ট জাতীয়পত্র পৌঁছে যাবে, তখন পাসপোর্টের জন্য আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ টাকা নিয়ে পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন করে তথ্যটি সত্য নয়। তবে গুটিকয়েক এমন হতে পার। পরে ইমেগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা বছরজুড়ে ভালো কাজ করেছেন তাদের ক্রেস্ট তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। -ডেস্ক