(দিনাজপুর২৪.কম) চাঁদপুরে লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়া সন্তানকে বাঁচাতে মেঘনায় ঝাঁপিয়ে পড়া মা কোহিনুর রহমান ইভার (৩০) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদরের চরকেউয়ার ইউনিয়নের আলিরটেক কাউয়ারী কুজিয়ারচর মেঘনায় ভাসমান অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। তবে বুধবার সকাল পর্যন্ত নিখোঁজ শিশুটির কোনো খোঁজ মেলেনি।নিহত ইভা মুন্সীগঞ্জ শহরের শিলমন্দি এলাকার জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। স্বামী জিয়াউর রহমান একটি কোরিয়ান কোম্পানির প্রকৌশলী। স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।সোমবার ঢাকা থেকে চাঁদপুরগামী এমভি হাসান ইমাম-২ লঞ্চটি মেঘনা নদীতে এলে লঞ্চ থেকে শিশু মোহাম্মদ (৩ মাস) নদীতে পড়ে যায়। এ সময় শিশুটিকে বাঁচাতে তাৎক্ষণিকভাবে তার মা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।নিহতের ছোট বোনের স্বামী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব জানান, ইভা সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে সদরঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশে যেতে ভুলক্রমে চাঁদপুরের লঞ্চে ওঠেন। পরে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে না নামতে পেরে ছটফট করতে থাকেন। এ সময় মেঘনা নদীর মতলব থানার ষাটনল এলাকায় ৩ মাসের সন্তান পড়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে তিনি নদীতে লাফ দেন।মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জ সদরের চরকেউয়ার ইউনিয়নের আলিরটেক কাউয়ারী কুজিয়ারচর মেঘনা থেকে নৌপুলিশ ভাসমান অবস্থায় কোহিনুর রহমান ইভার মরদেহ উদ্ধার করে।চরআবদুল্লাহ নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা এমভি ইমাম হাসান-২ নামের লঞ্চটি চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল।লঞ্চটি চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার মেঘনা নদীতে পৌঁছালে তিন মাসের সন্তান মোহাম্মদ নদীতে পড়ে যায়।তাকে বাঁচাতে মা ইভা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনায় মা ও সন্তান দুজনই নিখোঁজ হয়। পরে মঙ্গলবার মায়ের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।-ডেস্ক