(দিনাজপুর২৪.কম) বিদেশ ট্যুরে ক্রিকেটারদের স্ত্রী-বান্ধবীদের সঙ্গে থাকার অনুমতি দেয় না ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। কেননা মনে করা হয়, এতে খেলায় মনযোগ দিতে পারবেন না তারা। তবে এমন যারা ভাবেন, তাদের এবার এক হাত নিলেন ভারতের টেনিস সেনসেশন সানিয়া মির্জা। তার মতে, বান্ধবী বা স্ত্রী সঙ্গে থাকলে ছেলেরা বরং আরও ভালো খেলতে পারে।

নয়াদিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে সানিয়া বলেন, অনেক দলের ক্ষেত্রেই দেখি, তন্মধ্যে ক্রিকেট দলও রয়েছে; তাদের স্ত্রী-বান্ধবীদের সফরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয় না। কারণ দেখানো হয়, এতে দলের খেলোয়াড়দের মনঃসংযোগ নষ্ট হবে।

তার প্রশ্ন? এর অর্থ কী? নারীরা এমন কী করে, যেজন্য পুরুষ খেলোয়াড়দের মনঃসংযোগে ব্যঘাত ঘটবে? তিনি বলেন, আসলে এটা বদ্ধমূল ধারণা। শিকড়ের সঙ্গে লেগে থাকা সমস্যা। স্পষ্টভাবে প্রকাশ্যে বলে, নারীরা পুরুষদের মন বিক্ষিপ্ত করে দেয়। ফলে তারা নিজেদের শক্তি-সামর্থ অনুযায়ী খেলতে পারে না। দুর্বল পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে।

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের হারের জন্য সানিয়াকে দায়ী করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সেদেশের মেয়ে নই, বউ। আর বউয়ের কী ক্ষমতা থাকতে পারে।

২০১০ সালে পাক তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেন সানিয়া। তাদের ঘরে রয়েছে এক ছেলেসন্তান-ইজহান। খেলা ও সংসার দিব্যি সামলে যাচ্ছেন তিনি।

সানিয়া বলেন, সফর চলাকালীন স্ত্রী-বান্ধবী সঙ্গে থাকলে আরও ভালো পারফরম করতে পারে খেলোয়াড়রা। কারণ, নিজ ঘরে ফেরার পর তারা খুশি থাকে। বউ-বাচ্চার মুখ দেখলে মনে শান্তি ফেরে।

তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের শূন্য ঘরে ফিরতে হয় না। একসঙ্গে খাওয়া যায়। বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করা যায়। স্ত্রী বা সঙ্গিনী সঙ্গে থাকলে পুরুষদের শক্তি-সামর্থ বেড়ে যায়। কারণ, তারা একাকীত্ব বোধ করে না। প্রিয়জনদের কাছ থেকে আরও ভালোবাসা পায়। -ডেস্ক