প্রেসরিলিজ (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরুজুল ইসলাম এবং কোতয়ালী থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. রেদয়ানুরের প্রত্যাহার চাইলেন জেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লুৎফর রহমান মিন্টু।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় দিনাজপুর সদর-৩ আসনের উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরুজুল ইসলাম এবং কোতয়ালী থানার ওসি মো. রেদয়ানুর সরকারী দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্বাচনী কার্যে অংশগ্রহণ করছেন এবং জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট কর্তৃক মনোনীয় প্রার্থীর পক্ষের কর্মীদের অযথা হয়রানী করছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন নির্বাচনে তপশীল ঘোষণার পর বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আর কোন মামলা দেওয়া হবে না এবং গ্রেফতার ও অযথা হয়রানি করা হবে না। কিন্তু ঘোষণার পরেও দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোকাররম হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক বখতিয়ার আহমেদ কচি, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল মিলন, জেলা যুব দলের সভাপতি মুকুল, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা শানি সুলতানা বিউটি সহ জামিন প্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও অন্যায়ভবে নাশকতা, হত্যা, ইয়াবা সংক্রান্ত মিথ্যা মামলা পুনঃ গ্রেফতার এবং জেলগেট থেকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে। সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয় নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার সময় পোষ্টার, লিফলেট বিতরণের সময় দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার এবং হয়রানি করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ২০ দলীয় ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দিনাজপুর সদর-৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ আসনের মনোনীয় এমপি পদপ্রার্থী আলহাজ্ব সাদেক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও এমপি পদে মনোনীত প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।