(দিনাজপুর২৪.কম) শেষ মুহূর্তের গোলে মিশরের বিপক্ষে জয় পেয়েছে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। ১৯৭০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে উরুগুয়ে। প্রথমার্ধে উভয় দল সমানতালে লড়েছে। দ্বিতীয়ার্ধেও উভয় দল মুহুর্মুহু আক্রমণ করে। তবে এদিন মিশরের পরাজয় সাইড বেঞ্চে বসেই দেখতে হয়েছে মোহামেদ সালাহকে। ইনজুরির কারনে তাকে ছাড়াই নামে মিশর। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের মুখোমুখি হয় মিশর। ম্যাচের শুরু থেকেই সমানতালে লড়ছে দুইদল। ৮ মিনিটের সময় বক্সের বাহির থেকে কাভানির শট সহজেই ধরে ফেলেন মিশরের গোলরক্ষক। এর ঠিক তিন মিনিট পরই সুযোগ নষ্ট করে মিশর।  বক্সের মধ্যে বল পেয়ে বুক দিয়ে রিসিভ করে পায়ে নিলেও ঠিকমতো লাগাতে পারেননি ত্রেজিগেত।

খেলার ২৩তম মিনিটে বক্সের একটু বাইরে থেকে কাভানির বাঁ পায়ের জোড়ালো শট মিসরের ডিফেন্ডার আলী গাবরের গায়ে লাগে। এরপরই কর্ণারে সবচেয়ে বড় সুযোগটি পায় উরুগুয়ে। কিন্তু লুইস সুয়ারেজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তার শটে জালের বাইরে লেগে বল চলে যায় বাইরে।

৩২ মিনিটে তারেক হামিদ ফাউল করেন ডি অ্যারাসকায়েতাকে, বক্সের একটু বাইরে ফ্রি-কিক পায় উরুগুয়ে। এবারও শট নিয়ে মিসরের মিসরের রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে পারেননি সুয়ারেজ। এরপর বেশ কয়েকটি আক্রমণ শানানোর চেষ্টা করেছে লা সেলেস্তেরা, শেষ মুহূর্তে এসে দুই একটি সুযোগ তৈরি করেছিল মিসরও। কিন্তু প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের পেতে পারতো উরুগুয়ে। কিন্তু এবারও ব্যর্থ হন সুয়ারেজ। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে কাভানির পাস থেকে বল পেয়ে করা শট মিশরের গোলরক্ষকের পায়ে লেগে চলে যায়। ৭০ মিনিটের সময় কর্ণার থেকে বক্সের মধ্যেই শট নিয়েছিলেন কাভানি কিন্তু বল তারই সতীর্থের হাতে লেগে যায়।

এর দুই মিনিট পর কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মিশরের আহমেদ ফাতহির জোড়ালো শট রুখে দেন উরুগুয়ে গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। ফিরতি আক্রমেণ ম্যাচের ৭৩ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন বার্সা তারকা।

খেলার শেষের দিকে ৮৩তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সেভটি করেন মিশর গোলরক্ষক। ডি বক্সের একটু বাইরে হেডে কাভানির কাছে বল দেন সুয়ারেজ। দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন কাভানি। লাফ দিয়ে এক হাত ছুঁইয়ে সেই বলটা বাইরে পাঠিয়ে দেন শেনাউই।

উভয় দলের দর্শকরা যখন ভাবছিলেন ম্যাচটি গোলশূণ্য ড্রই হচ্ছে তখনি কার্লোস সানচেজের ফ্রি-কিক থেকে বল পেয়ে দারুণ হেডে গোল করেন হোসে গিমেনেজ। শেষের দিকে মিশর চেষ্টা করলেও আর শোধ দিতে পারেনি। তাই শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। -ডেস্ক