(দিনাজপুর২৪.কম) শীতে কাপছে দিনাজপুর সহ উত্তরাঞ্চল। হঠাৱ শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সূর্যি মামার দেখাই মেলেই আজ। অপরদিক হিমালয়ের কোল ঘেঁষে বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা দিনাজপুর ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড়ের অবস্থান। তাই হিমালয় থেকে নেমে আসা হিমেল হাওয়ায় পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকলেও বিকেলের পর থেকে রাত ও সকালে অনেকটা কমে আসছে তাপমাত্রা। আজ বুধবার  তাপমাত্রা ছিল ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীত বাড়ায় শৈত্যপ্রবাহ আর ঘনকুয়াশায় দুর্ভোগ বাড়ছে ছিন্নমূল ও দরিদ্র্য মানুষের।বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শীতের শুরুতে রাতের তাপমাত্রা কম থাকলেও সকালে সূর্য ওঠায় সেভাবে শীত অনুভূত হয়নি। তবে গত দু’দিনের আবহাওয়া একেবারেই ভিন্ন। সেভাবে সূর্যের দেখা মিলছে না। সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ আর ঘনকুয়াশা। বিকাল থেকেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে শুরু করে। রাতভর বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ে। আর ভোর থেকে চারপাশে থাকে ঘনকুয়াশা। রাস্তাঘাট ও হাটবাজার মানুষের চলাচল কম। কুয়াশার জন্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। মাঘের শুরুতেই শীত জেঁকে বসায় গরিব লোকজন দুর্ভোগে পড়েছেন। শৈত্যপ্রবাহ ও ঘনকুয়াশার কারণে তারা দুর্ভোগে পড়েছেন।খড়কুটো জ্বালিয়ে লোকজন শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। কাজে যেতে না পারায় শ্রমজীবী মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।স্বল্প আয়ের মানুষ ভিড় করছেন পুরনো কাপড়ের দোকানে। এরই মধ্যে গরিব লোকজনের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে ঢাকাগামী বাস যাত্রীরা। এক ড্রাইভার জানান, শীতের কুয়াশার কারণে বাস- কোস চালাতে কষ্ট হচ্ছে। অপরদিক নষ্ট হচ্ছে ফসলের সবজি। শীতের তীব্রতার কারণে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা দিনাজপুর সহ উত্তরাঞ্চলে বেড়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী জানুয়ারি মাসে ২টি দিন প্রচন্ড ঠান্ডা নেমে আসতে পারে। তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ হতে পারে।