রবিউল ইসলাম রবি (দিনাজপুর২৪.কম) বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িগঞ্জ ইউপির জামুরহাটে তড়িঘরি করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান করে হাটের আকৃতি পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে বর্তমান ইজারাদারের বিরুদ্ধে। এসংক্রান্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারী শিবগঞ্জের জামুরহাট নতুন করে ইজারা দেওয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করলে দেলোয়ার নামের ব্যবসায়ী এহাট নতুন করে ১৬ লক্ষ টাকায় (ভ্যাটসহ) ইজারা পায়। কিন্তু পূর্বের ইজারাদার বগুড়া এন্টারপ্রাইজ এর খলিলের যোগসাজশে হাটের আকৃতি পরিবর্তন করে উজ্জ্বল, দেলোয়ার, জামিল, তছলিমসহ বেশ কিছু ব্যক্তি শেষ সময়ে এসে নতুন করে স্থাপনা নির্মান করে। এতে করে ঐ হাটের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের মধ্যে সমালোচনা শুরু হলে নতুন ইজারাদার দেলোয়ার হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ করে। অভিযোগের বিষয়ে নতুন ইজারাদার দেলোয়ার বলেন, হাট ইজারার শেষ সময়ে এসে ব্যবসায়ীদের ধোকা দিয়ে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য হাটের আকৃতি পরিবর্তন করে দোকানঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, আগামী ১লা বৈশাখ থেকে আমি হাট চালাবো, হাটের বর্তমান অবস্থা এমন হলে ইজারার টাকা তোলা অসম্ভবের হয়ে যাবে।
এবিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবীর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সচেতন একটি মহল বলেছে, ১০লক্ষ টাকা তোলা এ হাটে সম্ভব নয়, সেখানে এতো টাকা তুলবে কি ভাবে!

শিবগঞ্জে গ্রামবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর
গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মা ও ছেলের বিরুদ্ধে!

রবিউল ইসলাম রবি (দিনাজপুর২৪.কম) বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের বড়াইল বাকসন গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ঐ গ্রামের এক মা ও ছেলের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উঠা মা ও ছেলে হলেন, উপজেলার বড়াইল বাকসন গ্রামের জালাল মন্ডলের স্ত্রী জহুরা বেগম এবং জালাল মন্ডলের ছেলে ফারুক। সম্পর্কে তারা আপন মা ও ছেলে। তারা বিনা কারণে উদ্দেশ্যেপ্রণদিত হয়ে গ্রামবাসীর নামে জেলা বগুড়া বিজ্ঞ শিবগঞ্জ থানার আমলী আদালতে দুটি মোকদ্দমা দায়ের করে। ফৌজদারি মামলা নং ১৭সি/২০২১(শিবঃ), যাহার বাদী জহুরা। এমামলায় আসামি করা হয়েছে ৮জনকে। এবং সিভিল মামলা নং ৫৫সি/২০২১(শিবঃ), যাহার বাদী জহুরার ছেলে ফারুক মন্ডল। এ মামলায় ৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
সম্প্রতি জহুরা ও ফারুকগংদের বিরুদ্ধে এলাকার সাধারণ মানুষেরা একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে মা-ছেলের বিচারও দাবী করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে ঐ এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিনা উস্কানিতে এবং মামলা দায়ের করার মতো কোন আলামত না থাকলেও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে তারা গ্রামবাসীর নামে এ মামলাগুলো করেছেন, তারা মামলাবাজ ও অসৎ প্রকৃতির মানুষ। ঐ গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদা বেগম বলেন, আমার স্বামী আফজাল হোসেন উপর বিনা কারণে জহুরা, তার ছেলে ফারুক মন্ডলগংরা হত্যার উদ্দেশ্য আক্রমণ চালিয়ে ডানহাত ভেঙ্গে দেয় এবং মাথা ফাটিয়ে দেয়। এবিষয়ে তাদের নামে জেলা বগুড়ার সিনিঃ জুডিঃ ম্যাজিঃ শিবগঞ্জ থানা আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। মামলা নং ৪৮/২১ (শিবঃ)। অসহায় কৃষক আতাউর রহমান বলেন, জহুরাগংরা গ্রামবাসীর উপর যে অন্যায় করছে তা অমানবিক। তারা আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে। এবিষয়ে জহুরা বলেন, আমাদের মামলা সত্য না মিথ্যা তা আদালত বিচার করবে। ঐ এলাকার ওয়ার্ড সদস্য মাসুম বিল্লাহ্ বলেন, জহুরা ও তার ছেলে ফারুক মন্ডল যে দুটি মামলা করেছে তা গায়েবী এবং বায়বীয়, এর কোন ভিত্তি নেই।