শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফাইল ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) শিগগিরই শিক্ষা আইন মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে শিক্ষা আইন-২০২০। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার একটি যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করছে এবং তা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের ন্যূনতম যোগ্যতার নির্দেশিকা, সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা, মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী অবকাঠামো উন্নয়ন গবেষণাকে উৎসাহিত করণে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার ও উদ্ভাবন ল্যাব স্থাপন, লাইব্রেরি সুবিধা বিস্তৃতকরণ, আবাসিক সুবিধা বৃদ্ধিকরণ, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ আসন সংখ্যা নির্দিষ্টকরণ, Industry Academia সমন্বয়ের মাধ্যোম কর্মজগতের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স কারিকুলাম প্রণয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ইনস্টিটিউট স্থাপন, শিক্ষকদের কনফারেন্সে গবেষণাপত্র উপস্থাপনের এবং আন্তর্জাতিক উচ্চমানের জার্নালে তাদের গবেষণাপত্র প্রকাশের বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানসহ উচ্চ শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী শহীদুল্লাহ, সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান কাজী খলিকুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অভিনয় চন্দ্র সাহা, দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এডভোকেট রোকসানা খন্দকার।

প্রফেসর ডা. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, স্নাতকদের আধুনিক বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী গড়ে উঠতে হবে। পাশাপাশি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হতে হবে।

কাজী খলিকুজ্জামান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু আমাদের যেতে হবে অনেক দূর। এখনো বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ অতিদরিদ্র। পৃথিবীর অনেক দেশ আছে যেখানে দুই কোটি মানুষ নেই। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। -ডেস্ক