(দিনাজপুর২৪.কম) আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নয়টি দাবির মধ্যে এরই মধ্যে কয়েকটি বাস্তবায়নের শুধু উদ্যোগ নয়, প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর নিহত হওয়ার বিচার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তিনি আজ শনিবার সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরাপদ সড়ক দাবিতে শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন হচ্ছে তা অত্যন্ত যৌক্তিক। কিন্তু এই আন্দোলনে উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে সন্ধার পর সুযোগসন্ধানীরা শিক্ষাদের গাড়ি ভাঙতে উস্কানি দেয়। গত রাত ১২ টার দিকেও এমনটি হয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একটি আন্ডার পাস নির্মাণের দাবি করা হয়েছে। যা নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ হয়ে গেছে। ডিজাইন সম্পন্ন হয়েছে। টেন্ডার না করে কাজটি দ্রুত করতে সেনাবাহিনীকে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, চালকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। আইন আনুযায়ী বিচারের আওতায় এনে তাদের বিচারকাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণও দেয়া হয়েছে। আন্দোলনে যে অনুপ্রবেশ ঘটেছে এর প্রমাণ হিসেবে একটি পত্রিকার কাটিং উপস্থাপন করে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজধানীর জিগাতলা বাস ভাঙচুরের সময় ধরা পড়া সুলতান সোলায়মান ছিল ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা। আরও বহু প্রমাণ আছে আমাদের কাছে। এদিকে আজ শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে প্রধনমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পাঁচটি বাস হস্তান্তর করা হয়।

তিনি শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাদের দাবিগুলো একে একে পূরণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা হাসাপাতালের সামনে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হন। এছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। নিহত শিক্ষার্থীরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।

এর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে শিক্ষার্থীরা। সড়কে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী। তারা লাইসেন্সও চেক করে। বিভিন্ন স্থানে বাস ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে।