(দিনাজপুর২৪.কম) লিবিয়ার উপকূলীয় সিরতে শহরে বিশ্বের শীর্ষ কট্টরপন্থী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও স্থানীয় বন্দুকধারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে নিহতের সংখ্যা ১৫০ থেকে ২০০ জনের মধ্যে হতে পারে। আহত হয়েছে আরও অনেকে। আইএস জঙ্গিরা সিরতে শহরের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে বহু বেসামরিক, নিরীহ ও নিরস্ত্র মানুষদের হত্যা করছে। ফ্রান্সে নিযুক্ত লিবীয় রাষ্ট্রদূত চিবানি আবু হামুদ বলেছেন, সত্যিকার গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে এবং আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি মধ্যস্থতার আহ্বান জানাই। সিরতে কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা জানান, গত মঙ্গলবার এ লড়াই শুরু হয়। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। লিবিয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরোধী অবস্থানে থাকা বেসামরিক বাহিনী আইএসের দখলে থাকা সিরতে শহরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ঘোষণা দেয়। দুই পক্ষের প্রচ- লড়াইয়ে উভয় পক্ষে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। রাজধানী ত্রিপোলির সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে আইএস জঙ্গিদের লড়াই অব্যাহত রয়েছে। ত্রিপোলির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে গত বছর ‘ফজর লিবিয়া’ নামে একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এ গোষ্ঠীটিই সিরতেকে মুক্ত করার ঘোষণা দেয়। লিবিয়ার ওই রাষ্ট্রদূত বলেন, আইএস এক ইমামকে হত্যার পর লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়। এরপর থেকেই আইএস গণহত্যাযজ্ঞ শুরু করে। বাড়িতে গিয়ে তারা নিরীহ, বেসামরিক ও নিরস্ত্র মানুষদের হত্যা করছে বলেও জানান তিনি। ২০১১ সালে লিবিয়ার প্রয়াত শাসক লৌহমানব কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর থেকে লিবিয়ায় অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অস্থিতিশীল ও অস্থিরতা বিরাজ করছে দেশটিতে।-ডেস্ত