ছবি সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) বসুরহাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমার বড় ভাই ওবায়দুল কাদের সাহেব বলছেন- আমি নাকি স্বঘোষিত মেয়র প্রার্থী হয়েছি। তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি কি স্বঘোষিত মেয়র প্রার্থী? দল আমাকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, ভোটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, ভোট কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা করছে একরাম চৌধুরী। একরাম চৌধুরী তার ঘনিষ্ঠ নোয়াখালী পৌরসভার বিএনপির সাবেক মেয়র হারুনুর রশিদকে গতকাল সন্ধ্যার পর বিএনপির মেয়র প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী ও কাউন্সিলরদেরকে টাকা দিয়ে গেছে, আমাকে হারানোর জন্য টাকাগুলো দিয়েছে একরাম চৌধুরী। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের শহীদ নুরুল হক অডিটোরিয়ামে মহিলা আওয়ামী লীগের এক কর্মী সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা কাদের বলেন, ওবায়দুল কাদের আমার সাথে নেই, কেন্দ্রীয় নেতারা আমার সাথে নেই, নোয়াখালী প্রশাসনও আমার সাথে নেই, এখানকার প্রশাসনও নেই। আপনারা আমার ভোট করবেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে আমাকে ভোট দিয়ে আসবেন। কোন শয়তানি করলে, ষড়যন্ত্র করলে এর দায়-দায়িত্ব ওবায়দুল কাদের সাহেব, নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত সাহেব, নোয়াখালীর ডিসি, এসপি ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একরামের লোক, নিজাম হাজারির লোক ভোটের দিন এ এলাকায় ষড়যন্ত্র করতে আসবে। আপনার লাঠি নিয়ে প্রস্তুত থাকবেন। শুধু তাদের গিরার নিচে পেটাবেন। একবারে মেরে ফেলবেন না, বাকিটা আমি দেখব। ভোট হবে শতভাগ সুষ্ঠু, কোন অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। আবদুল কাদের মির্জা জগনণের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা মুনাফেকি করবেন না, মুনাফেকি করলে আল্লাহ বিচার করবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বসুরহাট পৌরসভা আ’লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, আমেরিকান প্রবাসী আইয়ুব আলী, আমেরিকান প্রবাসী বাবুল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান মিন্টু, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মহিলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমা বেগম শিফা, বসুরহাট পৌর আ’লীগের সভানেত্রী পারভীন মুরাদ, বসুরহাট পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াছমিন মুক্তা প্রমুখ।
-ডেস্ক রিপোর্ট