ছবি -দিনাজপুর২৪.কম

স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে লকডাউন শুরু হলেও দিনাজপুরে ছিটেফোটাও দেখা মেলেনি। সপ্তাহব্যাপী লকডাউন শুরুর প্রথম দিনে সকালে অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতোই মানুষের ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাাঘাটে। খাদ্য প্রতিষ্ঠান, বেকারী, কলকারখানা খোলা থাকায় সামাজিক দূরত্বের প্রভাব পড়েনি বললেই চলে। সকাল থেকে সরেজমিনে দিনাজপুর সদরে এবং উপজেলাগুলোতে ব্যস্ত রাস্তাগুলোতে দেখা গেছে, গাদাগাদি অটোবাইকযোগে, পায়ে হেটে, রিক্সা-ভ্যানযোগে কর্মের সন্ধানে ছুটেছেন শ্রমিকরা। সড়কের বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের আধিক্য থাকলেও গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিপাকে পড়েছেন কর্মস্থলমুখী অসংখ্য যাত্রী।

লকডাউন কার্যকরে যেমন প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি তেমনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখারও বালাই ছিল না কোথাও। বড় যানবাহন না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে মটর সাইকেল, সাইকেল, অন্যান্য ছোটখাটো যানবাহনের দখলে ছিল রাস্তা। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো দিনাজপুরে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা। স্থানীয় এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর ওয়ার্ড মাস্টার মোঃ মাসুদ জানান, করোনা ওয়ার্ডে বেড রয়েছে ৭০টি। আর মাত্র কয়েকটি বেড ফাঁকা রয়েছে। এদিকে আইসিইউ বেডের জন্য হাহাকার দেখা গেছে রোগীদের স্বজনদের।
দিনাজপুর বাহাদুর বাজারে গিয়ে মনে হয়েছে আগামীকাল যেন ঈদুল উল ফিতর। তিল ধারনের ঠাই নেই। বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাক্স ছিল না। গতকাল রোববারও ছিল যেন ঈদের আমেজ। অটোবাইকের দখলে ছিল দিনাজপুরের রাস্তাঘাটগুলো। এত জ্যাম দিনাজপুরের রাস্তাগুলো এর আগে কখনও দেখেনি দিনাজপুরবাসী।
সুধীমহল মনে করছেন প্রশাসনকে কঠোর হয়ে দায়িত্ব পালন করা উচিত। নতুবা দিনাজপুর হবে করোনার শহর।